( কিছুকিছু গল্প মাঝেমেঝে অনেক কষ্ট দেয়। কষ্ট দেওয়া এই গল্পটির জন্ম ২০১৭'র ফাল্গুনের কোন এক দুপুরে )
+---------+
অনেক দিন ঘুরাঘুরি আর বোঝানোর পর....
( পাশের গ্রামে অনন্যা ষ্টোরের ডানপাশে পাকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ইরার সাথে)
ইরা, 'I love you.' কতদিন হলো তোমাকে এই বিষয়টা বুঝাচ্ছি যে আমি তোমাকে কতটা ভালবাসি। তুমি সুধু শুনেই যাচ্ছ। কিছুই বলছ না। এবার ভালবাসনা...। একবার বল 'বাসি।
- না..আ।
আমি তোমাকে পাগলের মতো ভালবাসি ইরা! তুমি তো জানো তাই না! তোমাকে একটু দেখার জন্য কি কি করি আমি। আমি জানি তুমি আমাকে পছন্দ কর, আমার সাথে কথা বলতে তোমার ভাললাগে আর তুমি আমাকে ভালবাস।
ইরা নিরব।
সারা মুখে ঈষৎ বিস্ময়। সারা দেহ উৎকণ্ঠায় কাঁপছে তার। সন্দেহ আর সম্ভাবনার দোলায় দুলছে তার মন। সে বলল না!
আমি হতাশ হয়ে বললাম, তুমি আমকে অনেক ভালবাস তবুও অযথা আমকে এতো কষ্ট দিচ্ছ। সত্যি করে বলো তুমি আমাকে পছন্দ করনা? আমাকে ভালবাস না ইরা? সত্যিকরে একদম মনথেকে বলবা!
লজ্জায় চোখ তুলে তাকাতে সঙ্কোচ বোধ করছে মেয়েটি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে বড় কোন যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সাহস সঞ্চয় করছে। মুখখানা অন্য দিকে সরিয়ে নিয়ে কথার স্বর ১ ফুটের বেশি দূর যাবে না এই রকম শব্দে অস্পষ্ট করে সে বললো, "হ"।
ইরার ঠোঁটের কোণে এতক্ষণে এক টুকরো হাসি জেগে উঠলো। ধীরে ধীরে সে হাসি চোখে আর চিবুকে ছড়িয়ে পড়লো তার। লজ্জায় মাথাটা নত হয়ে এলো।
আমি নীরব। কোনপ্রকার আনন্দপ্রকাশ, ভালবাসা প্রকাশ, বা দ্বিতীয়বার জিগ্যেস কোনটায় করলাম না। কারন মুহুর্তেই আনন্দে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম আমি। তাছাড়া আমার ধারণা হচ্ছিলো দ্বিতীয়বার জিগ্যেস করলে লজ্জার চুটে ইরার মত পাল্টে যাবার ঘোর সম্ভাবনা আছে।
আমি সুধু শান্ত সুরে বললাম ' ঠিক আছে যাও তাহলে,কাল কথা হবে'।
দীর্ঘ সময় ধরে দিনে রাতে যাকে নিয়ে অশেষ কল্পনার আলপনা বুনতাম , সেদিন সে আমার কাছে ধরা দিয়েছিল।
-------------+------------


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


