এক বাংলাদেশী মূর্খের (কি বলব বোঝতে পারছিনা) কাণ্ডে পুরা বাঙ্গালির ইজ্জত মাটি। আমরা যেখানে থাকি টিক তার পাশের এলাকায় ঘটনাটা ঘটে ১০-১২ দিন আগে। আমরা জানতে পারি ঘটনার ২ দিন পরে, যখন কাজে গেলাম ওই এলাকায় তখন সেখানে অন্য এক ভাইয়ের মুখে ঘটনাটা শুনতে পাই।
আমি পুরুটা বিশ্বাস না করে নেটে খুঁজতে শুরু করলাম এবং শেষ পর্যন্ত পেয়েও গেলাম gulf news থেকে । ভিডিও দেখার পর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না, মানুষ এতো নিচে নেমে গেছে ছিঃ ! । বৃদ্ধ লোকটি কথা বলতে পারেনা, হাটা-চলা করতে পারেনা, কানেও শুনেনা। বৃদ্ধ লোকটি অভিযোগ করতে পারতোনা কিন্তু আল্লাহ তো সব দেখেন । তার শরীরে আঘাতের চিহ্নটা সবার নজরে আসে এবং তার কারণে পরে ঘরে camera লাগানো হয় । যা ঐ মূ্র্খ কাজের লোকটে জানতো না।
পুরো UAE ভিডিও টা ছড়িয়ে পরে দ্রুত Youtube, Facebook, Whatsapp এবং আরো ওন্য মাধ্যমে। যেহেতু এইখানে প্রায় সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে এমনকি স্কুলের সকল পড়াও নেটের সাহায্যে হয়।
কিন্তু এর থেকে আরবীদের উচিৎ শিক্ষা হয়েছে। তারা কি করে যখন মা-বাবা বৃদ্ধ হয় তখন একটা আলাদা রুমের মধ্যে ওদের রেখেদেয় এবং একজন কাজের মেয়ে বা ছেলে রেখেদেয় ওদের দেখা শুনা করার জন্য, বাস্ ওদের দায়িত্ব শেষ । এখন বোধয় এই রকম আর হবেনা, আজ জুমা'র নামাযে যখন গেলাম আমার তাই মনে হলো। আজকের খুতবার বিষয় ছিল মা-বাবার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ( যেহেতু খুতবায় বর্তমান বিষয় তুলে ধরা হয় ) । কি আরবী বয়ান হয়েছে আজ ওহ! কত আরবীর চোখে পানি দেখেছি আজ শুধু আমাদের ঐ বাঙ্গালী ভাইয়ের কারনে
বয়ানে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে মা-বাবার প্রতি আমাদের কি দায়িত্ব শুধু একজন কাজের মেয়ে বা ছেলে রেখেদিলাম বাস শেষ , না ওটা নয় বরং ওদের প্রতিদিন খুজ-খবর নেয়া ও এটা ওয়াজেব ।
Security Camera তে লুকিয়ে রেকর্ড করা । লিংক http://www.youtube.com/watch?v=PyhZZYR1gb0
[yt|]
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১৪ সকাল ১০:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



