একজন মান্নার রাজনৈতিক জীবনের দি এন্ড হয়ে গেল। ভাইবারের আড়ালও তাকে রক্ষা করতে পারল না। রাজনীতি বড়ই জটিল। কখন যে কার গনেশ উল্টে যায় কেউ তা বুঝতেও পারে না। শেখ হাসিনার শেষ চালে রাজা মাত। বেগম জিয়ার আর আং সং সূচী সাজা হলো না। ষরযন্ত্রের যে জটিল অংকটা তিনি রচনা করতে চেয়েছিলেন তাতে তিনি নিজেকে আষ্টেপৃষ্টে বেধে ফেলেছেন যা আজ বাংলার জনগনের সামনে জলের মতো পরিস্কার। এখন এই অর্থব আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোন অর্থই বহন করে না।
নিরিহ মানুষ মারার অশুভ রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে এসে একটি সম্মান জনক পরিনতি দিকে অগ্রসর হতে হলে এখন বেগম জিয়াকেই পরবর্তি চালটি দিতে হবে। চাল কি হবে তাও তাকেই ভাবে বের করতে হবে। ফুলন দেবীর ছকে রাজনৈতিক মঞ্চে কোন ফল পাওয়া যায় না। জাতির কাধে যুদ্ধ চাপিয়ে দিলেই মোক্ষলাভ অনিবার্য এমন কথা যারা ভাবেন তারা মুর্খের স্বগে বাস করছে।
এখন বেগম জিয়ার কাছে একটি রাস্তাই খোলা আছে। সেটা বেশ সহজ। তিনি যদি বুদ্ধিমতি হন তো সেটাই তিনি করবেন। সোজা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে সাতত্রিশ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে অবরোধ ও হরতালের নামে মানুষ হত্যার সন্ত্রাষের রাজনীতি পরিহার করে প্রধানমন্ত্রীর মুখমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে হবে। এতে লাভ লোকসানের হিসাব করলে চলবে না। এমনিতে জামাতবিএনপির লোকসানের পরিমান ভারী হয়ে উঠেছে। একে আরও ভারী হতে দিলে জামাত বিএনপিকে লোকসানের চাপেই মারা যেতে হবে।
শেখ হাসিনার চৌকষ রাজনীতির কাছে আপনি পরাজিত হয়েছেন এটা মেনে নিয়ে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়াটাই হবে জামাতবিএনপর একমাত্র কাজ। নিরিহ মানুষ হত্যার ভুল রাজনীতি থেকে জামাত বিএনপিকে বেড়িয়ে আসতেই হবে। আর কথায় কথায় লগি বৈঠার উদাহরন টেনে লাভ নেই। লগি বৈঠা ব্যাবহারের পেছনের কারন গুলিও কিন্তু খুব একটা সুখকর ছিল না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



