হাছিনার কপাল তাহলে সত্যি সত্যি ভাঙ্গল। পীর দরবেশদের কৃপায় বারবার ক্ষমতায়নের ভান্ডা ফাস করে দিয়েছেন সদ্য আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক দল আম জনতা খেলাফত পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়্যদানা হায়দার আলী চৌধুরী। তারই রুহানি কশরতের বলে আওয়ামী লীগ আজ ক্ষমতাশীন। এতদিন পর বোঝা গেল দেশে কেন ধর্মরাষ্ট্র আর ধর্মরাজনীতির এতটা প্রয়োজনিয় হয়ে পড়লো। ধর্ম না থাকলে দেশ থাকে কি করে। আমরা কতোটা র্নিবোধ হলে শেখ হাছিনার হুজুরপ্রীতিকে রাজনৈতকি কৌশল ভেবে ভুল করেছি। আসলে রাজনীতি বলতে কিছুর অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই। আছে দরবেশ। আছে রুহানি ক্ষমতার দবদবানি। আল্লামা, শায়েখ ও মাশসায়েখ পীর হুজুরদের দিল্লাগি। আল্লাহ আছেন এখন ভাবতে বেশ লাগছে। আল্লাহ সয়ং আমাদের দেশটা চালাচ্ছে। শেখ হাছিনা কত বড় ফ্রড আজ আমরা তা বুঝলাম। তবে একটা কথা মাথায় কিছুতেই ঠিক ঢুকছে না। এই পীরজিহুজুর সৈয়্যদানা হায়দার আলী চৌধুরী আক্ষা মুসলিম জাহানের একমাত্র পরীক্ষিত মহিলা নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এরিয়ে গেলেন কেন? এর উত্তরটা বের করতে পারলেই দুধ কা ধুধ জল কি জল পরিস্কার হয়ে যাব। আমরা ২০০৮ সালে যে ভোট গুলি দিয়েছেিলাম সেগুলি কতটা অর্থহীন। আজ বুঝতে পারছি। পীর দরবেশ দয়ায় শেখ হাসিনা আজ প্রধানমন্ত্রী। ভোটাভোটিটা রঙ্গ তামাশা। শেখ হাসিনার বারাবারিতে পীরজিহুজুর সৈয়্যদানা হায়দার আলী চৌধুরী দারুন রেগে গেছেন তিনি তাই ঘোষনা দিয়েছেন আগামী তিন বছরের মধ্যে নিজের কাধেই বাংলাদেশের শাসনভার তুলে নেবেন। আর বাঙ্গালীরা পাবে ইসলামি জঙ্গি শাসান ব্যাবস্তা।
এই সমস্ত কিছুর জন্য দায়ী শেখ হাসিনা ওয়াজেদের অতিরিক্ত ধর্মপ্রিতি। তার ধর্মপ্রীতিই বাংলাদেশকে উপহার দিচ্ছে তালেবান শাসন ব্যাবস্তা। আগামী তিন বছর পর বোঝা যাবে। রুহানি শক্তি দবদবানি না রাজনৈতকি শক্তিতে বাংলাদেশ শাসিত হবে।
রাষ্ট্র থেকে ধর্মের দবদবানি বন্ধ করতেই হবে। আগামী প্রজন্ম কি পাচ্ছে উন্নত শাসন ব্যাবস্তা না ধর্মের অহেতুক দবদবানি।
বি: দ্র: Click This Link পড়ুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



