শেখ হাসিনাকে এ পর্যন্ত যতটুকু দেখেছি বা চিনেছি তাতে তাকে গনমানুষের অসংবাদিত নেতা বলে মনে হয়নি।এ কথা হলফ করে বলতে পারি, কৌশলে তার সমক্ক্ষ কেউ নেই। ক্ষমাতায় টিকে থাকাটাই তার কাছে শেষ কথা। সেটা যেভাবেই হোক। তিনি সহজ সরল কথা গুলি ঠিক সহজ ভাবে বুঝতে রাজী নন। ধর্মরাষ্ট্র, ধর্মরাজনীতি ও বিশমিল্লাহ'য় তার কোন আপত্তি নেই। তিনি বঙ্গবন্ধুর শতভাগ মুসলীম কন্যা। ধর্মরাষ্ট্রে হাত দিলে এরশাদ ভারকে হাড়ানোর ভয় আছে। তাই তিনি এরশাদ ভারটাকে আশকারা দিয়ে যাচ্ছেন। বিশমিল্লাহ শহিদ জিয়ার একমাত্র রাজনৈতিক কর্ম এটাকে সংবিধান থকে বাদ দিলে যে বিএনপি রাস্তায় নামতে পারে। আর ধর্মঘরিষ্ট দেশে ধর্ম রাজনীতি থাকবে না তা কি করে হয়। ধর্মনিরপেক্ষতা সংবিধানে আছে কিন্তু বাস্তবে তার কোন প্রয়োগ নেই। আর তা থাকার কথাও না। রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মরাজনীতির সাথে ধর্মনিরেপেক্সতা সাংঘর্সিক। হাসিনার বেয়াই থেকে শুরু করে কেউ তাদের ছেড়ে কথা কইছেন না। আসলে দুর্বলকে কেউ ছেড়ে কথা কয় না।
রাষ্ট্রটা শুধু মানুষের জন্য হলে সংখ্যালঘুদের কোন প্রকার ভয়ভীতি থাকতো না। রাষ্ট্র তাদের অধিকার সংরক্ষন করতে বাধ্য থাকতো। প্রকৃতির উড়নচন্ডি মুর্তি দেখে মানুষ যেমন ভয় পেয়ে আল্লাহর শরনাপন্ন হয় ঠিক তেমনি আল্লাহকে ভয় পেয়ে কিন্তু মানুষের কষ্ট লাঘবে মানুষ আর এগিয়ে আসে না। এদিকে আল্লাহর মতিগতি বোঝাটাও মানুষের জন্য দুস্কর।
তাই বলি-
দুর্বলের অনুনয়
সবলের গতি
আল্লাহ সহায় হন
সবলের প্রতি।।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


