somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নিজস্ব প্রিতেবক: আগামীকাল রবিবার গার্মেন্টস খুলবে। এ কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। শনিবার সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ও মাদারীপুরের কাঠাঁলবাড়ি ঘাটে পোশাক শ্রমিকসহ মানুষের প্রচুর ভিড় দেখা গেছে। এ সব মানুষ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছে না। অনেকে গণপরিবহন না পেয়ে হেঁটে ঢাকা ফিরছে মানুষ।প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবরের বিস্তারিত।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিত দূরত্ব বজায় না রেখে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মাহেন্দ্রো, অটোরিকশা যোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঘাটে পৌঁছাচ্ছেন এ সকল যাত্রীরা।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার গুরুত্বপুর্ণ প্রবেশদ্বার খ্যাত দৌলতদিয়া ঘাটে নৌ-পরিবহন লঞ্চ বন্ধ থাকলে নৌরুটে চলাচলরত ফেরিতে যাত্রীদের চাপ চোখে পড়ার মতো। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা থাকলেই গার্মেন্টস খোলার কারণে তা উপেক্ষা করে কর্মমূখী মানুষ ফিরতে শুরু করেছে ঢাকার উদ্দ্যেশে। ভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিত দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা, ফেরিতে গাড়ির চেয়ে সাধারণ যাত্রীর সংখ্যাই বেশি দেখা যায়।

সরজিমন ঘুরে দেখা গেছে, দৌলতদিয়া ঘাটের অবস্থানরত ফেরিগুলোতে কাঁচামাল বাহী ট্রাক, জরুরি এ্যাম্বোলেন্স ছাড়াও ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকার ঢাকাগামী ট্রাকগুলোতে গাদাগাদি করে যাত্রীরা ঢাকায় ফিরছেন। ফেরিগুলোতে যানবাহনের চেয়ে যাত্রীদের সমাগত দেখা যায়। চলন্ত ফেরিতে লাফিয়ে উঠতে দেখা যায় যাত্রীদের।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ম্যানেজার আবু আব্দুল্লাহ জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২টি রো-রো ফেরি ও ৩টি ছোট (কেটাইপ-ইউটিলিটি) ফেরি সার্বক্ষণিক যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, আগামীকাল রবিবার গার্মেন্টস খুলবে বলে ময়মনসিংহ থেকে গার্মেন্টসকর্মীরা ঢাকার পথে ছুটছেন পায়ে হেঁটেই। গ্রাম থেকে নানাভাবে ময়মনসিংহ পৌঁছালেও যানবাহন না থাকায় ঢাকামুখি গার্মেন্টস কর্মীদের স্রোত অব্যাহত রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুইদিন ধরে আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে হাজারো শিশু-কিশোরসহ নারী-পুরুষ যে যেভাবে পারছেন ময়মনসিংহ আসছেন। কিন্তু ময়মনসিংহের পাটগোদাম ব্রিজেরমোড়ে যানবাহন না পেয়ে আরো ৫/৬ কিলোমিটার হেটে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দিঘারকান্দা বাইপাসমোড়ে গিয়ে অতিরিক্ত ভাড়ায় ট্রাক, পিকআপ, সিএনজিচালিত অটোরিকসায় জীবনের ঝুকি নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছেন। অনেকেই পাঁয়ে হেঁটেই ঢাকার দিকে রওনা দিয়েছেন। চাকরি রক্ষা ও বেতনের সময় হওয়ায় করোনার ভয় নিয়েই রওনা হয়েছেন শ্রমিকরা।


ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি হয়নি। তাই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে দলে দলে গার্মেন্টকর্মীরা কর্মস্থল ঢাকায় যেতে শুরু করেছেন। চাকরি বাঁচানোর তাগিদে তারা ঢাকার দিকে ছুটছেন। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গার্মেন্টকর্মীদের মাইক্রোবাস, সিএনজি ও মিনি ট্রাকে করে কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। এতে সুযোগ বুঝে গাড়ির ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকরা।

জানা গেছে, দেশে করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে গার্মেন্টকর্মীরা কর্মস্থল ছেড়ে বাড়িতে চলে আসেন। তবে গার্মেন্টে শনিবার (৪ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে গার্মেন্টসকর্মীরা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুনরায় কর্মস্থলে ছুটে চলেছেন।

সরেজমিনে ভূঞাপুরে মাইক্রোবাস-কার-পিকআপ স্ট্যান্ড ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গার্মেন্টকর্মীরা ঢাকার চন্দ্রা, গাজীপুর, টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য পরিবহনের অপেক্ষায় বসে আছেন।

মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, কাঠাঁলবাড়ি-শিমুলিয়া ঘাটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপ চোখে পড়ার মতো। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা থাকলেই গার্মেন্টস খোলার কারণে তা উপেক্ষা করে কর্মমূখী মানুষ ফিরতে শুরু করেছে ঢাকার উদ্দ্যেশে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মাহেন্দ্রো, অটোরিকশা যোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঘাটে পৌঁছাচ্ছেন এ সকল যাত্রীরা। ঘাট পার হয়ে বিভিন্ন ছোট যানে ঢাকা পৌঁছাছেন তারা। আগামীকাল রবিবার গার্মেন্টস খুলবে। এ কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। শনিবার সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ও মাদারীপুরের কাঠাঁলবাড়ি ঘাটে পোশাক শ্রমিকসহ মানুষের প্রচুর ভিড় দেখা গেছে। এ সব মানুষ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছে না। অনেকে গণপরিবহন না পেয়ে হেঁটে ঢাকা ফিরছে মানুষ।প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবরের বিস্তারিত।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিত দূরত্ব বজায় না রেখে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মাহেন্দ্রো, অটোরিকশা যোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঘাটে পৌঁছাচ্ছেন এ সকল যাত্রীরা।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার গুরুত্বপুর্ণ প্রবেশদ্বার খ্যাত দৌলতদিয়া ঘাটে নৌ-পরিবহন লঞ্চ বন্ধ থাকলে নৌরুটে চলাচলরত ফেরিতে যাত্রীদের চাপ চোখে পড়ার মতো। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা থাকলেই গার্মেন্টস খোলার কারণে তা উপেক্ষা করে কর্মমূখী মানুষ ফিরতে শুরু করেছে ঢাকার উদ্দ্যেশে। ভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিত দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা, ফেরিতে গাড়ির চেয়ে সাধারণ যাত্রীর সংখ্যাই বেশি দেখা যায়।

সরজিমন ঘুরে দেখা গেছে, দৌলতদিয়া ঘাটের অবস্থানরত ফেরিগুলোতে কাঁচামাল বাহী ট্রাক, জরুরি এ্যাম্বোলেন্স ছাড়াও ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকার ঢাকাগামী ট্রাকগুলোতে গাদাগাদি করে যাত্রীরা ঢাকায় ফিরছেন। ফেরিগুলোতে যানবাহনের চেয়ে যাত্রীদের সমাগত দেখা যায়। চলন্ত ফেরিতে লাফিয়ে উঠতে দেখা যায় যাত্রীদের।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ম্যানেজার আবু আব্দুল্লাহ জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২টি রো-রো ফেরি ও ৩টি ছোট (কেটাইপ-ইউটিলিটি) ফেরি সার্বক্ষণিক যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, আগামীকাল রবিবার গার্মেন্টস খুলবে বলে ময়মনসিংহ থেকে গার্মেন্টসকর্মীরা ঢাকার পথে ছুটছেন পায়ে হেঁটেই। গ্রাম থেকে নানাভাবে ময়মনসিংহ পৌঁছালেও যানবাহন না থাকায় ঢাকামুখি গার্মেন্টস কর্মীদের স্রোত অব্যাহত রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুইদিন ধরে আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে হাজারো শিশু-কিশোরসহ নারী-পুরুষ যে যেভাবে পারছেন ময়মনসিংহ আসছেন। কিন্তু ময়মনসিংহের পাটগোদাম ব্রিজেরমোড়ে যানবাহন না পেয়ে আরো ৫/৬ কিলোমিটার হেটে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দিঘারকান্দা বাইপাসমোড়ে গিয়ে অতিরিক্ত ভাড়ায় ট্রাক, পিকআপ, সিএনজিচালিত অটোরিকসায় জীবনের ঝুকি নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছেন। অনেকেই পাঁয়ে হেঁটেই ঢাকার দিকে রওনা দিয়েছেন। চাকরি রক্ষা ও বেতনের সময় হওয়ায় করোনার ভয় নিয়েই রওনা হয়েছেন শ্রমিকরা।

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি হয়নি। তাই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে দলে দলে গার্মেন্টকর্মীরা কর্মস্থল ঢাকায় যেতে শুরু করেছেন। চাকরি বাঁচানোর তাগিদে তারা ঢাকার দিকে ছুটছেন। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গার্মেন্টকর্মীদের মাইক্রোবাস, সিএনজি ও মিনি ট্রাকে করে কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। এতে সুযোগ বুঝে গাড়ির ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন চালকরা।

জানা গেছে, দেশে করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে গার্মেন্টকর্মীরা কর্মস্থল ছেড়ে বাড়িতে চলে আসেন। তবে গার্মেন্টে শনিবার (৪ এপ্রিল) পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে গার্মেন্টসকর্মীরা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুনরায় কর্মস্থলে ছুটে চলেছেন।

সরেজমিনে ভূঞাপুরে মাইক্রোবাস-কার-পিকআপ স্ট্যান্ড ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গার্মেন্টকর্মীরা ঢাকার চন্দ্রা, গাজীপুর, টঙ্গীসহ বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য পরিবহনের অপেক্ষায় বসে আছেন।

মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, কাঠাঁলবাড়ি-শিমুলিয়া ঘাটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপ চোখে পড়ার মতো। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা থাকলেই গার্মেন্টস খোলার কারণে তা উপেক্ষা করে কর্মমূখী মানুষ ফিরতে শুরু করেছে ঢাকার উদ্দ্যেশে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মাহেন্দ্রো, অটোরিকশা যোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঘাটে পৌঁছাচ্ছেন এ সকল যাত্রীরা। ঘাট পার হয়ে বিভিন্ন ছোট যানে ঢাকা পৌঁছাছেন তারা।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৩
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×