আমাদের সমাজে অনেকে মনে করে যে, আর্থিকভাবে সচ্ছল কিংবা বড়লোক হতে গেলে ধান্ধাবাজি, বাটপারি বা লোক ঠকানোর কোন বিকল্প নেই এবং এ সমস্ত খারাপ গুনগুলোকে বুদ্বিমত্তার মানদন্ড হিসেবে ধরা হয়। যে যত বেশী লোক ঠকাতে পারদর্শী, সে তত বুদ্বিমান ও সফল। সে হিসেবে মীর জাফরকেও বুদ্বিমান বলা যায়, যে তার বুদ্বির জোরে নবাব সিরাজুদ্দৌলার কাছাকাছি পৌছতে পেরেছিল এবং তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে যার ফলে এই বাংলা প্রায় ২০০ বছরের জন্যে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের করায়ত্ত হয়ে পড়ে। মীর জাফরের ঠাই হয়েছে ইতিহাসের নিকৃষ্ঠ বেইমান হিসেবে। তার পরিণতি ও হয়েছে ভয়াবাহ। আর তার প্রতি আমরা এতই ঘৃনা পোষন করি যে, আজ পর্যন্ত কারো নাম 'মীর জাফর' হতে দেখিনি। তেমনি আবু জেহেল, ফেরাউন বা নমরুদের কথাও ধরা যায়।কুবুদ্বির জোরে সাময়িকভাবে নিজেকে লাভবান মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে ভয়াবাহ পরিণতি হয়। তাদের পতন যখন শুরু হয়, তখন আর পালানোর পথ থাকে না।
আমরা যতটা না নিজের কর্মসক্ষমতা বা পেশাগত যোগ্যতা বৃদ্বিতে মেধাশক্তির ব্যয় করি, তার চেয়ে বেশি বাজে গুনগুলো অর্জন করার পেছনে সময় নষ্ট করি। মনে রাখা উচিত বড়লোক বা সফল হওয়ার শর্টকাট কোন পথ নাই, যদি থাকে সেটা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



