
এক.
তখন তুমুল প্রেমের সময়
কল্পনাতে সাজা,
তুমি ছিলে কঙ্কাবতী
আমি তোমার রাজা।
কল্পনাতে ঘুমাই তখন
কল্পনাতেই খাই,
কলপনাতেই ভাসিয়ে তরী
মেঘের কোলে ঠাই।
তুমি যদি নদী হতে
আমি নদীর তীর,
ইচ্ছেরা সব জোনাক জ্বেলে
জমিয়ে দিতো ভীড়।
আমি যদি বৃক্ষ হতাম
তুমি তাহার বন,
আকাশ নদী পাহাড় ভেবে
কাটতো সুখের ক্ষণ।
স্বপ্ন রঙে রাঙিয়ে দুচোখ
উড়িয়ে সুখের ডানা,
চন্দ্র তারা জোসনা এসে
সেথায় দিতো হানা।
দুই.
ইচ্ছের ফুঁৎকার স্বপ্নীল ফানুসে
সাদাকালো বেঁচে থাকা-রঙিন মানুষে
স্বপ্নটা খুঁজে ফিরি রঙধনু বহরে
সাধগুলো নির্বাক সাধ্যের প্রহরে।
স্মৃতিগুলো পুরনোর রঙচটা মরচে
ভালোবাসা বেশ দামী জ্বলজ্বলে খরচে,
কল্পনা সত্যের বড়বেশী ফাঁড়াকে-
বেঁচে থাকা পথ ধরে,নরকের সড়কে।
একালের দেবদাস খোঁচাখোঁচা দাঁড়িতে
পথে পথে ঘুরে ফিরে খোঁজ নেই বাড়ীতে,
ইচ্ছেটা অদেখাই জোছনার আকাশে
স্বপ্নটা সাদাকালো রঙহীন ফ্যাঁকাসে।
এখানে সকাল আসে সন্ধ্যার সাঁঝেতে,
শিউলি বকুল পুড়ে-দুপুরের তাপেতে।
প্রেমহীন বাঁচা এই জীবনের নরকে
স্বপ্নটা তবু ছুটে সূর্যের সড়কে !!
তিন.
তুমি তবু,রাণীই আছো-
আমিই তোমার সোয়ামি,
প্রেমটা ভীষণ সুখের ছিল
বিয়ে বড় বোকামি !!!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



