
সময়ের ব্যবধানে,বেজে বেজে চলে
সূর্য, চাঁদ,পৃথিবীর সবচেয়ে দূরতম শব্দের মাস্তল
যেন কোন অজ্ঞাত নিবাস থেকে ছুটে আসি
পরিচিত ষ্টেশন এলেই,তুমি দেখাও নিশান,
আমি উঠে পড়ি ।
আত্মার ক্ষুধিত জঠরে পুষ্টিহীন বেড়ে উঠে
আমার অর্থনীতির নড়বড়ে পা,
শূন্য পাকস্থলী অবাধ্য কীটের ইজারায়
বুনে যায় অগুন্তি মরণের বীজতলা।
টিকটিকির লেজ তবু দীর্ঘ হতে থাকে
অতিকায় অভিজাত ক্রমেই মোটাতাজা হয়
মাকড়সার জালে আটকা পড়ে শহীদের স্বপ্ন।
যৌবন পুড়ে পুড়ে যায়-প্রখরের আলোয়-
মিথ্যের প্লাবনে ভেসে যায় স্বদেশের সতীত্ব,
বুকের ঘাংগুরে নাচে দুঃখের নর্তকী
ধূসর বসন্ত হারায় অনির্দিষ্ট অদেখায়,
শকুনের পদতলে পিষ্ট হয় জোছনার হলক
ইচ্ছেরা পুড়ে মরে অনল প্রলয় বহরে-
চিতায় অথবা কবরে।
হে নতুন,সবুজ অস্তাচল আগামী-
মৃত্যু উপত্যকায় দাঁড়িয়ে,এসো হাতেহাত ধরি,
ইঁদুরের মুখ থেকে কেঁড়ে নেই মানচিত্র
অসতের পিকদানি উল্টে দেই-অঝোর রক্তধারায়
শীতাতপ নরম হাওয়ায়-জ্বালাই দ্রোহের হল্কা,
হলুদের মুখে এঁকে দেই-সাদার আঁচড়
প্রজ্ঞার আলোয় তাড়াই অনুকম্পের অন্ধকার,
মিছিলে শ্লোগানে নিভাই দেমাগের দাবাদাহ
তাড়াই দুঃসময় ইতিহাসের আস্তাকুরে-চিতায় অথবা কবরে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


