
প্রতি রাতে তুমি আসো,
দিনভাঙা ঢেউয়ের শেষে ক্লান্ত ঘুমের দুয়ারে।
শরৎ সফেদ স্বপ্নের গতকাল,আবারও তুমি এলে,
বিছানার বারান্দায়-জায়গা ছিল না কোনো,
তোমাকে বসতে দেবার।
মিহি কথার কৌতূহলে দাঁড়িয়েই থাকলে-অনেকক্ষণ...
আমি বলতে গিয়েও থেমে গেলাম,একটি গোলাপ ফোঁটার কষ্ট,
পোয়াতি পূর্ণিমা,নদীর ঢেউ,বৃষ্টির কান্না,সমুদ্রের বালি-
কিছুই মনে করতে পারছিলাম না,
কেমনে মনে করবো বলো-আমিতো আমার জন্মটাই ভুলে গেছি।
অন্ধ চোখে জেগে থাকা সমুদ্রের লোনা জল,
নৈবেদ্য তিমিরে আলোর তৃষ্ণা-অভিমানী জোসনা,
ঢেউয়ের পরতে পরতে দোল খাওয়া,মাতাল ইচ্ছের পদধ্বনি।
কিংবা-দৃষ্টির খেউরিতে লুটোপুটি খেলা হামাগুড়ি স্বপ্ন-
নিরুদ্দেশ,মনের মগজ থেকে,নৈঃশব্দ্যের আর্তনাদের মতো
লাশ হয়ে পড়ে থাকা-এ বাঁচার লাশ ঘরে।
শোনাবে একটুখানি,আমি কী বলেছিলাম-অথবা তুমি?
জোসনাখেকো মেঘ হয়ে,আমার সব কথাই গিলে খেলে-
নিম পাতার রসের মতো কোৎ করে।
বললে না কিছুই,কেন এসেছ
কুয়াশা আঁচড়ের,এ কাঁচের লাশ ঘরে-
আবেগী উষ্ণতার,কী এমন তুমুল দায়ে ঠেকেছিল ?
কেন এই মিথ্যে ফেরায় মোহের আবেগ,
ফানুশের ফুঁৎকারে ফুরিয়ে যাওয়া বিজলী চমকানি
বিকার উল্লাসি ঢেঁকুরে-পরিতৃপ্তির পরিহাস?
কিছুই বললে না তবু,
নির্বাক তাকিয়ে থেকে বাঁশপাতার নাউ হয়ে-
হাওয়ায় মিলিয়ে গেলে-নিয়মিত দুঃস্বপ্নের,অদৃশ্যূ অকূলে...
জেগে দেখি-
সেই পরিচিত বিছানায়,অগোছালো পড়ে আছি আমি।
এরপরও-
প্রতিরাতে সে আসে,আমার চৈতন্যের গভীর অতলে
দিয়ে যায়-প্রেরণার উন্নত বীজ।।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




