কারোর চোখে- ভদ্রলোক.....
(সামহোয়্যার ইন ব্লগ। স্মৃতির উঠোনে সোনালী রোদের ঝলকানি। তার অবয়বে ঝকঝকে একঝাঁক আলোকিত মুখ স্বজন বন্ধুরা। যাদের হারিয়ে খুঁজি। না পেয়ে একলা ভিজি সজল মেঘের ছাতায়...)
এই নদ সামু ছিল
শুকনো মরু ,
পাড় হয়ে যেতো গাড়ী
পাড় হতো গরু।
আমাদের পাগলামী
ভালোবাসা হয়ে,
সেই নদে থৈ থৈ
চলে বয়ে বয়ে।
ঘাটের কিনারে এসে
সেই নদে জল,
দু'জনেই কথা কয়
চোখ ছল ছল।
আমাদের সামু ছিল
সুখের নিলয়,
হৈ চৈ মাস্তি
শান্ত আলয়।
দুই.
সুমন করের মিশুক স্বভাব
সহজ সরল প্রাণের লোক,
জনম দাসী চতুর ছিল,
চুপিচুপি- সর্বভোগ।
চাঁদগাজীর মাথামোটা,
গিয়াস লিটন- ভদ্রলোক,
শায়মা আপুর ট্যালেন্ট ছিল
খানাপীনা, আঁকার- রোগ।
কাভা ভাইয়া বনের রাজা
নাক টিপলে- বেড়োয় দুধ,
জেসন ভাইয়ু হাফ লেডিস
ফুল লেডিস- মাকসুদ।
রসি ভাইয়া ফিট বাবু
রিকি আপু- সাগরেদ,
জুন আপু সর্বজয়া,
মন- মগজে নাই খেদ।
জেসন ভীষন বাঁদর ছিল
নেক্সাস ছিল নাক-ই সুর,
প্রামানিকের ছড়ায় চিনি
অঢেল ছিল- তাতে গুড়।
সাদা মনে সদা খুশী
আলোরিকা মনোযোগ,
চ্যাং ভাইয়ু ত্যাড়া-বেঁকা
রাজপুত্রে রাজ ভোগ।
অগ্নীসারথী আপোষহীন
বিথী আপুর বাগান যোগ,
বিদ্রোহীর অনল ভাষন
নোটিশ বোর্ডে সবার চোখ।
সেলিম আনোয়ার প্রেমের কবি
শতাদ্রু নদী প্রকৃতির
সাহসী সন্তান ঘাটের খেয়া
কল্লোল পথিক সারথীর।
গেমু ভাই খোঁজ নাই
দেখা নাই লেখোয়াড়,
রক্তিম দিগন্তে
খুঁজি ফিরি পালাকার।
কি করি, না করি
পর্যটনে ফেরদৌসীপু
ফাতেমাপুর ছবির মতো
মায়াভরা রাবেয়াবু।
আমি ছিলাম- বোকাসোকা
হাত বাড়ালেই- সস্তা রোদ,
কারো চোখে তুলশি ধোয়া
কারো চোখে- ভদ্রলোক।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




