somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গণমাধ্যমের ভূমিকা ১

১৪ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সংবাদ পত্রের রাজনৈতিক দর্শন একটা প্রতিষ্ঠিত সত্য- যে কোনো বাণিজ্যিক সংস্থার মতো সংবাদপত্র অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠলেও এখনও পাঠকের সাথে সাম্ভাব্য বিজ্ঞাপন দাতাদের মনতুষ্টির জন্য হলেও সংবাদপত্র স্বাধীন ভূমিকা পালন করতে পারে না-
সংবাদ নিছক তথ্যসম্ভার না, তথ্যের বিশ্লেষণ আর সাম্ভাব্য প্রভাবও তথ্যমূল্য নির্ধারণ করে। তবে তথ্যের মূল্য নির্ধারণের সংবাদ পত্রের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ রাজনৈতিক আনতি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয়। কথাটা বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জন্যই প্রযোজ্য নয় শুধু, বরং প্রায় সমস্ত বিশ্বের সংবাদপত্রেরই একই অবস্থা। যদিও বাংলাদেশের মানুষের আস্থা এখনও বিবিসি কিংবা রয়টার্সের মতো সংবাদসংস্থার উপরে রয়েছে তবে সেখানেও পাঠকের মন্তব্য কিংবা পাঠকের অভিযোগ সংক্রান্ত অঞ্চলে পাঠকের বিভিন্ন মন্তব্যে এটা পরিস্কার হয়ে যায় যে সংবাদ সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা থাকলেও প্রতিবেদক মাঝে মাঝেই তার নির্ধারিত সীমানা পেরিয়েছেন, কখনও ভূল তথ্য পরিবেশন করেছেন, কখনও সেটা রাজনৈতিক শুদ্ধতাকে লঙ্ঘন করেছে-

রাজনৈতিক শুদ্ধতা একটা নতুন ধরণের ধারণা- যেখানে এমন মতটাই প্রকাশ পায় যে - কোনো রকম পক্ষপাতিত্ব কিংবা কাউকে অহেতুক হেয় করার কাজে সংবাদ পত্র নিজেকে নিয়োজিত করবে না- যেকোনো মতেরই একটা বিপক্ষ মত থাকে- রাজনৈতিক শুদ্ধতাবাদ একটা সহনশীলতার ধারণা নিয়ে আসে- কাউকে তার বিশ্বাস কিংবা বর্ণের কিংবা মতাদর্শিক আনতির জন্য হেয় করা যাবে না- কৌতুকপ্রদ করে তোলা যাবে না- তবে এই রাজনৈতিক শুদ্ধতার বোধও আবার দেশ ও সংস্কৃতি নির্ভর- রয়টার্সের অসংখ্য বাজে প্রবণতার মধ্যে একটা হলো চীনকে কোনো এক অজানা কারণে বর্বর একটা দেশ প্রমাণের চেষ্টা- তেমন ভাবেই ইসলামপন্থী যেকোনো আন্দোলনের সাথে জঙ্গিবাদ জুড়ে দেওয়া- বিপ্লবী বিচ্ছিন্নতাবাদী শব্দগুলো আসলে রাজনৈতিক এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত-

এই শব্দগুলো বক্তার রাজনৈতিক বিশ্বাস এবং রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করে- তাই এসব শব্দ ব্যবহারের ফলে বেশীরভাগ সময়ই পলিটিক্যালী কারেক্ট থাকা সম্ভব হয় না- তাই এই সংবাদসংস্থার বেশ কিছু প্রতিবেদন রাজনৈতিক শুদ্ধতাবাদীদের কাছে গ্রহনযোগ্য মনে হয় নি- এই অভিযোগ তারা জানিয়েছে-

সম্পাদনা নীতি, তথ্য পরিবেশন কাঠামো আর ভঙ্গী এবং এর সাথে সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রতিটা সংবাদপত্র কর্মীদের ভেতরে ছাপ ফেলে- এবং ফলে একটা ঘারানা তৈরি হয়- লেখা দেখেই কিংবার লেখবার ধাঁচ দেখেই বুঝা যায় ঠিক কোন সংবাদপত্রকে অনুসরণ করছে প্রতিবেদক কিংবা এই প্রতিবেদনটা আসলে কোন সংবাদপত্রে ছাপানো হয়েছে-

জানুয়ারী মাসে সামরিক সহায়তায় নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবার সময় আমার একটা অনুমান ছিলো এবার সংবাদপত্র ব্যপক ভাবে দুর্নীতির প্রতিবেদন ছাপাবে- তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিকল্পিত রাজনৈতিক শোধনের জন্য আসলে জনপ্রতিনিধিদের হীন অবস্থা প্রচার করতে হবে- এবং এই প্রতিবেদনগুলো প্রকাশের মাধ্যমে তাদের গৃহীত পদক্ষেপের যথার্থতা প্রকাশিত হবে- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে জনমত সংগঠনে এটা একটা ভালো কৌশল- কাউকে ভালো প্রমাণিত করার সহজ ককৌশল বিপক্ষকে খারাপ প্রমাণিত করা-

এই একই কাঠামোতে আপাত স্বাধীনতা থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশের সংবাদপত্রগুলো খানিকটা একপেশে সংবাদ পরবিবেশন করছে- জরুরী অবস্থার রীতি মেনেই শাসকগোষ্ঠির অনাচার কিংবা সেনাবাহিনীর রুঢ়তা বা অনৈতিক অচরণের কোনো তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে না সংবাদ মাধ্যমে।

এটা কোমোভাবেই সত্য নয় যে সেনাবাহিনী সদা সৎ এবং সেনাসদস্যরা সব ধোয়া তুলসী পাতা। বরং অসৎ সেনাকর্মকর্তা এবং সেনাসদস্যদের সংখ্যা, নৈতিক স্খলনের দায়ে অভিযুক্ত করা যায় এবং সামরিক কর্মকর্তাদের সংখ্যা সাধারন আমলাতন্ত্রের তুলনায় বেশী- যথাসাধ্য গোপনীয়তার বলয়ে ঢাকা থাকে বলে এবং সেনাসদস্যদের বিচার আলাদা আদালতে সম্পন্ন হয় বলেই আমাদের সাধারন সাংবাদিকেরা এই তথ্য জানাতে পারেন না- কোনো কোনো সময় জানাতে চাইলেও কোনো এক অদৃশ্য দায়বদ্ধতায় সংবাদ পত্র এসব পরম গোপনীয়তায় লুকিয়ে রাখেন।

যুদ্ধাস্ত্র ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় রাজনৈতিক নেতারা এবং আমলারা অভিযুক্ত হলেও সেনাবাহিনীর নিজস্ব কর্মকর্তারাও এই সব সিদ্ধান্ত গ্রহনে ভুমিকা রাখেন- তাদের নিজস্ব অর্থব্যবস্থপনায় কোন হস্তক্ষেপ করে না সরকার- সেখানে যেসব কর্মকর্তারা জড়িত তাদের কথা কেনো জনসমক্ষে আসে না?
প্রতিটা যুদ্ধাস্ত্র ক্রয়, পণ্য সরবরাহ এবং নির্মাণ কাজে ব্যয়িত অর্থ ঠিক কোন খাতে কোন প্রক্রিয়ায় ব্যয় হয় এসব তথ্য জনসাধারণ কেনো জানতে পারে না- জবাবদিহিতার দায়টা সব সময় সাধারণ প্রশাসনের ঘাড়েই বর্তাবে কেনো- জাতীয় বাজেটের ৮ ভাগের ১ ভাগ সামরিক বাহিনী ভোগ করে- এই বিপূল অর্থ ব্যয়ের কোনো প্রতিবেদন এবং স্বচ্ছতার দায় তারা নিবে না কেনো?
আশ্চর্য হলেও সত্য সেনা কারখানায় তৈরি গোলাবারুদ যখন সেনাসদস্য ব্যতীত অন্য একটা জঙ্গীগোষ_টির কাছে পাওয়া যায় তখন এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে এর সাথে কোনো না কোনো ভাবে দুর্নীতিগ্রস্থা সেনা কর্মকর্টা জড়িত অথচ এই অভুযুক্ত সেনা কর্মকর্তাকে আমরা চিহ্নিত করতে পারি না।

পরম আশ্চর্য হলেও এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে দৈনিকে অনেক আগেই- হয়তো আভ্যন্তরীণ ভাবেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে- তবে কি ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে তাও আমরা জানি না-

বিষয়টা স্বচ্ছতার এবং স্বচ্ছতা বিচারে সেনাবাহিনী বা সামরিক বাহিনী স্বচ্ছ কোনো প্রতিষ্ঠান নয়- রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নীতি, সামরিক তথ্য গোপনের একটা সীমিত প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলেও এর বাইরের তথ্যগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া প্রয়োজন- যেখানে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভবনা নেই- একটা নতুন স্থাপনা নির্মাণের কথা এবং এ ব্যবদে বরাদ্দকৃত অর্থ কিভাবে কেনো বরাদ্দ দেওয়া হলো এটা তেমন গোপনীয় বিষয় না- বরং খতিয়ে দেখা দরকার এই অর্থ বরাদ্দ কিংবা স্থাপনা নির্মানের টেন্ডার যে পেলো কিংবা যে প্রতিষ্ঠান পেলো সে কোনো উৎকোচ দিয়ে অনিতিক উপায়ে এই কাজটা করার সুযোগ পেলো কিনা?

তথ্যের অবাধ প্রবাহ, স্বচ্ছতা বিষয়ক নানাবিধ পরিকল্পনায় সামরিক বাহিনীর তথ্যও অন্তর্ভূক্ত হওয়া উচিত-
তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং সামরিক অধিগ্রহনের যথার্থতা নির্ণয়ে সংবাদ প্রকাশিত হোক আমার আপত্তি নেই তবে মূদ্রার অন্য পিঠটাও আমাদের দেখা প্রয়োজন।

খনিজ সম্পদ উত্তোলন এবং বিপণনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং আপাতত যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ২টা প্রতিষ্ঠান দেন দরবার করছে-
তাদের লক্ষ্য খনিজ অন্বেষণে সহায়তা করা- তারা বাংলাদেশের সীমানায় তেল গ্যাস ও কয়লার অনুসন্ধান করতে চায়-

সুদুর অতীতে কোনো এক সময় দুটো বিচ্ছিন্ন প্লেট একটার উপর একটা উঠে যাওয়ায় হিমালয় পর্বত শ্রেণী সৃষ্টি হয়েছে- সেই একই কারণেই এই পর্বত শ্রেণীর দুপাশের অঞ্চল এসব খনিজে সমৃদ্ধ, ভূনিম্নস্থ ছোটো ছোটো অঞ্চলে জমা হয়েছে তেল গ্যাস আর কয়লা, একই কারণে আসাম আর মেঘালয় খনিজ সমৃদ্ধ অঞ্চল। ধারণা করা হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের তটভূমিতে প্রচূর পরিমাণ তেল মজুত আছে-

তবে খনিজ সম্পদ অন্বেষণের পেছনে টাকা ব্যয় করার একটা লক্ষ্য হচ্ছে এই খনিজ উত্তোলনের অধিকার পাওয়া। এই ভূভাগে যত খনিজ সম্পদ আছে তা সম্মিলিত ভাবে সকল নাগরিকের সম্পদ, এবং এই খনিজ সম্পদ উত্তোলন এবং এর বিপণনের সকল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সঙ্গত কারণেই সকল জনগণের উপরেই থাকা উচিত।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কোম্পানী- ধারণা করা হয় খনিজ সম্পদ অন্বেষণ এবং উত্তোলনে এদের দক্ষতা কোনো ভাবেই বহুজাতিক তেল কোম্পানীগুলোর তুলনায় কম নয় বরং কোনো কোনো বিচারে এরা বেশী দক্ষ- এবং খনিজ অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নিয়ে যেসব বিদেশী কোম্পানী গ্যাস কিংবা তেল উত্তোলন করছে তাদের সাথে সম্পাদিত চুক্তিগুলো বাংলাদেশের স্বার্থের অনুকূলে ছিলো না।

খানিজ সম্পদ উত্তোলনে এত ব্যগ্র হওয়ার কিছু নেই- খনিজ সম্পদ মাটির নীচে থাকলে তা হারিয়ে যাবে না বা উবে যাবে না- সেটা সেখানেই সুরক্ষিত থাকবে বরং উত্তোলনের সময় নানাবিধ বিবেচনা করতে হয়- এবং প্রতিটা গ্যাসকূপ কিংবা তেল কূপের মোট মজুতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সেখানে রেখে দিতে হয়, নইলে একটা পরিবেশগত দুর্বিপাক উপস্থিত হবে- চট্রগ্রামে যেমন ভাবে ভূমিধ্বস হয়েছে মানুষের অবাধ অনাচারে- এমন ভাবেই বিশাল একটা অঞ্চল দেবে যাবে যদি এই বিষয়টা নির্দিষ্ট ভাবে পালিত না হয়- বরং এতে ক্ষতির পরিমাণ হবে আরও বেশী-
আমরা প্রয়োজনে বিদেশী কোম্পানীর সহায়তায় খনিজ সম্পদ অন্বেষণ করতে পারি তবে উত্তোলনের সময় আমরা নিজস্ব অর্থে নিজস্ব সামর্থে করতে পারি কাজটা- প্রয়োজনে কূপ নির্মাণে তাদের কারিগরী সহায়তা নিতে পারি আমরা কিংবা আমরা নিজেরাই কাজটাতে হাত দিতে পারি - আমাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে আমরা গ্যাস উত্তোলন করবো- আমাদের খনিজ ব্যবস্থাপনার কাজটা আমরাই করবো- তবে মাত্র ১২ শতাংশ প্রাপ্তির বিনিময়ে সকল স্বত্তত্যাগ করার মতো নির্বুদ্ধিতা করবো আমরা এমনটা আমরা প্রত্যাশা করি না-
আমরা এটাও চাই না এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমাদের হয়ে এমন কোনো চুক্তি সম্পন্ন করুক-
তবে সামরিক মদদপুষ্ট হয়ে কেউ যদি এই মূহূর্তে এমন একটা সিদ্ধান্ত গ্রহন করেই ফেলে তবে তা প্রতিহত করার মতো কোনো উদ্যোগ আমরা নিতে পারবো না আমাদের বর্তমান জরুরী অবস্থার প্রেক্ষিতে।

গণমাধ্যমের তোষণমুখী ভূমিকাটা আমাকে এমনই সংশয়আচ্ছন্ন করেছে যে আমি নৈরাশ্যবাদী যদি এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় তবে সংবাদ মাধ্যম এর বিরোধিতা করে কোনো জনমত সংগঠনে কোনো ভূমিকা রাখবে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনফিং - দরিদ্রদের একজন ত্রানকর্তা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:২৭

.



শি জিনফিংয়ের নেতৃত্বে চীন ২০২০ সালের শেষ নাগাদ তাদের দেশ থেকে চরম দারিদ্র্য সম্পূর্ণ নির্মূল করার ঐতিহাসিক লক্ষ্য অর্জন করে, যা বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই মহাপরিকল্পনার আওতায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা ব্লগিং-এ দুই দশক - ধন্যবাদ সামহোয়্যার ইন ব্লগ

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৮


দেখতে দেখতে শেষ পর্যন্ত সামুতে ২০ বছর পেরিয়ে গেল, ব্যক্তিগত একটি মাইলস্টোনও পার করা হলো। এই অনুভূতি মূলত মিশ্র। একদিকে আমি যেমন সামহোয়্যার ইন কর্তৃপক্ষের নিকট কৃতজ্ঞ যে দু'দশক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুসা নবী এবং ফেরাউন

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



মুসার নবীর নির্দেশ অমান্য করে এবং আল্লাহর অবাধ্য হওয়ার কারণে-
লোহিত সাগরে ডুবে ফেরাউনের করুণ মৃত্যু হয়। হজরত মুসা আলাইহিস সালাম এমন এক ফেরাউনের আমলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন- যিনি রামেসিস... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯২

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১৯



বিএনপি সরকার দেশে ক্ষমতায় আসতে না আসতেই দেশে প্রতারকের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
প্রতারক সব আমলেই ছিলো। কিন্তু বিএনপির আমলে যেন প্রতারকের উৎসব শুরু হচ্ছে। দেশে বেড়ে গেছে মারামারি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পছন্দের বাংলা গানগুলো

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১১


অনেকদিনের ইচ্ছে পছন্দের বেশকিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×