(মেসোপটেমীয় সভ্যতা)
তুরস্কের ককেশাস পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার দুটি বিখ্যাত নদী টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস। এই নদীর পলল ভূমি আজকের ইরাক,সিরিয়া হয়ে ইজরাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পলল ভূমিকে খৃষ্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মেসোপটেমীয়া বলা হতো।
মেসোপটেমীয়ার উত্তরে আসিরিয়া অঞ্চল ও দক্ষিনে ব্যাবিলনিয়া অঞ্চল অবস্থিত ছিলো। ব্যাবিলনিয়া অঞ্চলের উত্তরাংশে সেমেটিক গ্রোত্রের আক্কাদ ও এমোরাইট জাতির বাস ছিলো আর দক্ষিনাংশে ছিলো সুমের জাতির বাস।
৪০০০ খৃ.পূর্বে মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে প্রথম সভ্যতা গড়ে তুলেছিলো সুমেরীয়রা। সেই সময়ে মেসোপটেমীয়া অঞ্চলের অন্যান্য জনগোষ্ঠী মেষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতো।
সুমেরীয় সভ্যতার আওতায় বেশ কয়েকটি জনপদ ছিলো-তারমধ্যে লাগাস,সুমের,এরেক,উর,কিস,লারসা উল্লেখযোগ্য। উর জনপদ থেকেই আব্রাহাম চলে গিয়েছিলেন এবং পরবর্তিতে হিব্রূ জাতির ইতিহাস তৈরী করেছিলেন।
খৃ.পূর্ব ২৩৫০ সালে আক্কাদ জাতি প্রথম সারগনের নেতৃত্বে সুমের নগরগুলো দখল করে নেয়। পরবর্তিতে ১৮৫০ খৃ.পূর্বে এমোরাইট জাতি সেই অঞ্চলে আক্কাদদের হটিয়ে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে তোলে। এই সভ্যতায় উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হলেন রাজা হাম্বুরাবী।
এই সভ্যতার অবসান ঘটে আসিরীয়দের দ্বারা। আশেপাশের বিভিন্ন পার্বত্য জনগোষ্ঠি এবং সেমেটিক জনগনের সংমিশ্রন হতে আসিরীয় জনগন উদ্ভূত।
আসিরীয় সাম্রাজ্যের ধ্বংশাবশেষের উপর গড়ে ওঠে ক্যালডীয় সভ্যতা। যারা মূলত সেমোটক গোত্রের। তারা পূরাতন ব্যাবিলনীয়া সভ্যতাকে ফিরিয়ে আনে।
দেশের অভ্যন্তরে রাজা-পূরোহিতের দ্বন্দের কারনে চারিদিকের শত্রুরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে । ফলে ঐ অঞ্চলে এক ভ্গংুর অবস্থার সৃষ্টি হয়। এই সুযোগে ৫৩৯ খৃ:পূর্বে পারস্য রাজা সাইরাস এই অঞ্চলে ঢুকে পড়ে এবং বিনা যুদ্ধে মেসোপটেমীয়া অঞ্চল দখল করে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



