মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সিলেটিরা লেখা-পড়া শিখে ভদ্র হয়ে গেছে’, সিলেট বাসীর পক্ষ থেকে মাহফুজুর রহমানকে জিঙ্গেস করতে চাই কবে সিলেটিরা অভদ্র ছিল ?
জনাব মাহফুজুর রহমানের জ্ঞাতার্থে বলতে চাই, “সিলেটিদের জ্ঞান চর্চার ইতিহাস সুপ্রাচীন”
১৮৬৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যখন মাত্র ৮ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে তাদেও মধ্যেও সিলেটি ছাত্র ছিলেন। সিলেটের প্রথম মুসলিম গ্র্যাজুয়েট মোহাম্মদ দাইম তাদের মধ্যে অন্যতম। সিলেটের মো.আব্দুল করিম ১৮৬০ সালে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন। প্রথম আইসিএস, ব্রতচারী আন্দোলনের প্রবর্তক গুরুসদয় দত্ত সিলেটেরই কৃতি সন্তান। প্রথম মুসলিম আইসিএস গজনফর আলী খানের বাড়ি সিলেটে। সিলেটেরই কৃতি সন্তান লীলা নাগ ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের প্রথম ছাত্রী। পাকিস্তান আমলে অধিকাংশ সিএসপি অফিসারই ছিলেন সিলেট অঞ্চলের। এই ভাবে উল্লেখ করলে তালিকা অনেক অনেক দীর্ঘ হবে।
ইংল্যান্ডের রানীর কাছ থেকে সম্মানসূচক "নাইট" উপাধী প্রাপ্ত একমাত্র বাংলাদেশী নাগরিক হচ্ছেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ, যিনি আন্তর্জাতিক ক্ষ্যাতি সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনিও এই সিলেটের সন্তান। বৃটিশ পার্লামেন্ট মেম্বার একমাত্র বাংলাদেশী রুশনাআরা আলী, তিনিও সিলেটের বিশ্বনাথ থানার সন্তান।
কাজেই কোনোরূপ জ্ঞানচর্চা ব্যাতিরেখে সিলেটিদের জ্ঞানচর্চা নিয়ে জ্ঞানপাপীর মতো বক্তব্য মাহফুজুর রহমানের মূখর্তারই পরিচায়ক।
সিলেটবাসীর কাছে মাহফুজুর রহমানের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


