মনের ফড়িং অশ্লীল, সে শালীনতা ভেদ করে বাহ্যিক আবয়বে বিস্তার হতে চায়। তার পাখনায় ভর করে নারী খুঁজে যারে; পুরুষও রয় তার প্রতীক্ষায়।
একদিন রাজ কাকড়া হারিয়ে ফেলবে তার যৌবন; একদিন মেঘের ছায়ায় সূর্য হয়ে যাবে অন্ধ; তারপরেও তারা কামনা চায়’ মরতে চায়; পঁচনেই যেন তাদের মুক্তি।।
মানুষ জন্মগত ভাবেই শিশু
সে ছোটে যৌবনের পিছু পিছু...
তার দরকার হয় আদর-সোহাগ, ভয়ংকর ভালোবাসা, পবিত্রতা জড়ানো ভরসার।।
সজীব বৃক্ষ রসরসে; সে আকর্ষণ ছড়ায় তার মিলনগুলোকে প্রদর্শণ করার জন্য; অথচ কেউ যেন তার প্রত্যাশায় ছিলনা, তাদের চাহিদা যেন শুধুই ফলমুল।
জনন বীজের মিয়োসিস বিভাজন যখন শয়তানের মস্তিস্কে বিস্তার করে তখন শুরু হয় প্রকৃত বিরোধ কিছু অসম বন্টনের যাত্রা।
আজ স্কুল গুলোতে-
এইচ আইভি ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়;
নারী-পুরুষের পার্থক্য বুঝানো হয়;
সাহিত্যে ভেঁজা কাগজ গিলানো হয়;
এবং বাল্য বিবাহের ঝাঁঝালো ভাবনার ভারে মুড়িয়ে দেয়া হয় তাদের বিবেক।।
অথচ
অড়ালে থেকে যায় যৌবনের উদ্দেশ্য; তার আত্মরক্ষা
শেখানো হয় না সতীত্ব; ধর্ষক শ্রেণির চরিত্র।।
রোধ চলে না বাল্য প্রেম কিংবা অশ্লীলতার।।
ধর্ম এলো বিশ্বাস নিয়ে, তাতে ’সংস্কার’ শব্দটির পূর্বে যারা ’কু’ উপসর্গটি প্রয়োগ করছে তাদের উদ্দেশ্যও কু-মতলবের চূড়া পর্যন্ত পৌছতে পারে’ জেনেও অতি উৎসাহী অধর্ম তাড়না হৃদয়ে নতুনত্বের স্পষ্ট স্বার্থযুক্ত বাতিক জ্বালিয়ে দিতে চায়।
অথচ সূর্যের সকল উপাদান কোন না কোন উপকার বহন করলেও মানুষ ঠিকই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে গ্রীন-হাউজের বিরূপ গৌরচন্দ্রিকায়।
একদিন এক অর্বাচীন, অন্যের ভাবনা গলির সম্মুখে দাড়িয়ে ছিল। তার হাত ভারী ছিল না; সে কিছু উপলদ্ধি সেই ঘাট থেকে নিলেও নিতে পারত! তার অন্তর দুর্বল ছিল না বরং আত্ম অর্জন এবং নিজ্স্ব রসবোধে সে ছিল বিভোর। তার বিবেক সক্রেটিস ভাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও তার উদ্দেশ্য মানব কল্যাণের জন্য প্রস্তুত ছিল না।
ফলাফল:
তার দ্বারা প্লেটো কিংবা এরিস্টটল তৈরী হয়নি। যা হয়েছিল, সেটির গল্প সকলের কাছে পাপ না হলেও বিবেকের নিকট লজ্জার।
দিয়াবল বলুন কিংবা শয়তান; সে ভালোবাসে!
প্রচণ্ড ভাবাবেগ সম্পন্ন তার হৃদয়; সে মুক্ত মনে প্রার্থনা করে অমরত্মের। অপরদিকে মনুষত্ববাহী বিবেক গৃণা করে অত্যাচার। মানবিক কামনায় যার সফলতা।

আর্ট উবাইদুল্লাহ
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


