মন্ত্রী ও সাংসদগণ হলেন সম্মানিত জনপ্রতিনিধি। দেশের জনগণের জান-মাল রক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান এর শপথ করেই উনারা দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই মন্ত্রী যখন প্রকাশ্যে এরকম একটি মন্তব্য করেন তখন আমাদের বেপরোয়া ছাত্রলীগ এরকম প্রকাশ্য গ্রীনসিগনাল পেয়ে যে কি করতে পারে বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিএনপি জামায়াতের লোকেরা কি সরকারকে কর দেয় না ? তারা কি এ দেশের নাগরিক নয় ? গত নির্বাচনে বহু বিএনপি সমর্থক বিএনপি এর শাষনে অতীষ্ঠ হয়ে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল পরিবর্তনের আশায়।
যদি কেউ কোন অপরাধ করে তাহলে তার শাস্তি হবে, সে বিএনপি হোক, জামায়াত হোক কিংবা আওয়ামী লীগ। এজন্য দেশে আইন ও আদালত আছে।
মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এরকম আদেশ দেওয়ার কোন অধিকার আছে বলে তো আমি মনে করি না। শুধু স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেন প্রধানমন্ত্রীরও এমন আদেশ দেওয়ার অধিকার নেই। এমন কথা কোন ডাকাত দলের সর্দারের মুখ থেকেই শুধু বের হতে পারে কোন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মন্ত্রীর মুখ হতে নয়।
নাকি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে উনারা পুরো দেশটার মালিক হয়ে গেছেন ?
সরকার মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না, শুধু পারে সাধারণ মানুষকে হয়রানির নির্দেশ দিতে পারে।
সুত্র: আমার দেশ - ২রা ফেব্রুয়ারী

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


