নিষিদ্ধ হল বিরক্ত উৎপাদনকারী ভুভুজেলা। পয়লা বৈশাখে বিকাল ৫টার পর উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্টান করা যাবে না। আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।
বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মা্ধ্যমে ভুভুজেলা নিষিদ্ধের দাবি করা হয়েছিল।
সামনে বাঙালির মহোৎসব বাংলা নববর্ষ। যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব বাঙালি এককাতারে সামিল হবেন। বর্তমানকালের একমাত্র অসাম্প্রদায়িক উৎসব এটি।
কিন্তু ইদানীং বাঙালির একান্ত নিজস্ব ঐতিহ্যের এই উৎসবটিতে বহিরাগত সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রেই কলুষিত হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানীতে নববর্ষের উৎসবে যন্ত্রণা হয়ে আসে আফ্রিকা থেকে আমদানি করা কর্কশ বাঁশি ভুভুজেলা। ঐতিহ্যবাহী গ্রাম্যমেলায়ও আজ নলখাগড়া বা বাঁশের বাঁশির স্থান দখল করেছে ক্ষতিকর প্লাস্টিকে তৈরি এ বাঁশি।
শব্দ ও পরিবেশ দূষণসহ নারীর শ্লীলতাহানি ও অশোভন আচরণেও ব্যবহার করা হচ্ছে এই বিশেষ বাঁশিটি। তাই আসন্ন নববর্ষে ভুভুজেলা নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে সোচ্চার হয়েছেন অনেকে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ইভেন্টও খোলা হয় কিছুদিন আগে। ভুভুজেলামুক্ত পহেলা বৈশাখ চাই নামের একটি ইভেন্ট বেশ সমর্থন পেয়েছে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে। দাবী উঠেছে - বিজাতীয় সংস্কৃতির বিকট ভুভুজেলা চাইনা, আমাদের বাঁশের বাঁশিই আমাদের প্রাণের সুর। জঙ্গলে যোগাযোগের জন্য যার উৎপত্তি, এই নগরে তার দরকার নাই। ভুভুজেলা মুক্ত উৎসব চাই। নববর্ষে ভুভুজেলা নিষিদ্ধ হোক’।
গত বছরের এই ভুভুজেলার অসহনীয় চিত্রপটে দেখা যায় অসহ্য, বিরক্তিকর এই বাঁশির কর্কশ সুর রমনার বটমূল থেকে টিএসসি পর্যন্ত লাখো মানুষকে চরম যন্ত্রণায় ফেলে। পাশের ব্যক্তিটির কথাও শোনা যাচ্ছিল না এর অত্যাচারে। এদিকে বিজাতীয় সংস্কৃতির ভিড়ে বাঙালি সংস্কৃতির ডুগডুগি, বাঁশি, ঢোল, মাটির তৈজষপত্র ও খেলনা বিক্রি হয়েছে একেবারেই কম। আবার টিএসসিতে নারীদের অর্ধনগ্ন করার সময় আশে পাশের মানুষসহ সবার চিৎকার যাতে না শোনা যায় সেখানে পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন মিলে বিকট শব্দে ভুভুজেলা বাজিয়েছে বলে বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশ পায়। আর ভুভুজেলা নিষিদ্ধের দাবি ওঠে গত বছর থেকেই।
অবশেষে সকলের প্রত্যাশা পূরণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্তী। পয়লা বৈশাখে বিকাল ৫টার পর উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান করা যাবে না। জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মা্ধ্যমে ভুভুজেলা নিষিদ্ধের দাবি করা হয়েছিল।
সামনে বাঙালির মহোৎসব বাংলা নববর্ষ। যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব বাঙালি এককাতারে সামিল হবেন। বর্তমানকালের একমাত্র অসাম্প্রদায়িক উৎসব এটি।
অবশেষে সকলের প্রত্যাশা পূরণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্তী।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

