আজহার অপু:
ভালো কাজের ইচ্ছা কমবেশী সবার থাকে, কিন্তু সময় সুযোগ হয়ে উঠেনা। কেউ বা অন্যের ভালো করতে নিজের বিপদের সম্মুক্ষীন হয়েছেন। আমরা সবাই পরিবার পরিজনের জন্য প্রতিনিয়ত জীবনের সাথে যুদ্ধ জরে চলছি। কিন্তু আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যাই নিজ পরিবারের বাহিরে আরেক বড় পরিবার আছে। সেটা আমাদের সবার পরিবারের সমষ্টি। সেই বড় পরিবারে যদি একজন আরেকজনের একটু সহযোগিতা না করি তাহলে পরিবারটি সুস্থ থাকে কি ভাবে? অনেকে বিভিন্ন ভাবে এই বড় পরিবারটির জন্য সাহায্য করে, কেউ বা দোয়া, অথবা (মেন্টাল সাপোর্ট) করে, যাকে সান্তনা বলে। এটা কিন্তু বড় ব্যাপার। যখন কোনো বিপদ আসে মনে যদি শক্তি না থাকে তাহলে বিপদের মোকাবেলা করাটা কঠিন। আরো বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করা যেতে পারে, অনেকে করছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো রক্তদান। এটা নিঃসন্দেহে ভালো কাজ, শুধু ভালো কেন মহৎ কাজ বলা যেতে পারে। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ যাদের বয়স ১৮ হয়েছে যদি তাদের সৎ ইচ্ছা থাকে তারাও এই মহৎ কাজের অংশ গ্রহণ করতে পারে। এখন অনেকে এই কাজের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছে। অনেকে ভার্সিটি পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রী যাদের কিনা এই বড় পরিবারে নিজের কেউ নেই তারা রাত দিন এই কাজের জন্য অন্যের কাছে যাচ্ছে কেন? তাদের তো কিছু আসে যায় না। তারাতো কোন বিনিময়ের জন্য কাজ করে না। কারণ তাদের মনুষ্যতে¦র জন্য। অন্যের সহযোগিতা করছে কাল তাদের অন্যরা সহযোগিতা করবে। এটাই মানুষের জীবন এইভাবে যদি সবাই সবার সহযোগিতা করি দেখবে ছোট থেকে অনেক বড় আকার ধারণ করবে। সেদিন সত্যিই আমাদের দেশ সোনার দেশ হয়ে উঠবে। আজ আপনি করেন কাল অন্যেরা করবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৪:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



