পাখীর সাথে ঐশিক নিয়ে আলাপ হয়েছে।
তারপরে শুধু মাথায় ঘুরছে ঐশিক আর ঐশিক। কালান্তিক পদক্ষেপে জন্মিত একটা ভ্রুণ।
এখনও স্বেতকনিকায় অবগুণ্ঠিত। কেউ বলে তাহার বিবর্তনে অনেক ক্ষয়, অনেক নির্মাণ।
আগলে রাখতে হবে বুকে, হৃদয়ে দিতে হবে তপস্যার মন্ত্র। তাপস আমি কোন কালে নই। তাতে কেউ আক্ষেপে বাতিল করে দেয়, কিন্তু আমি মহাব্যস্ত, ঐশিক সৃষ্টিতে।
আশা করা যায় দিনগুলো সংক্রমিত হবে, রাতের পালাবদলে চেঞ্জ আসবে। বেছে নেয়ার খেলায় পুঁজিবাদী হবো। সাথে কয়েকটা সফট টিউন, বিটলস প্রিয়, তাতে আমি স্নান করবো, আর ভৈরবী! সেখানে বিসমিল্লাহ খান আর ওস্তাদ জাকির হলেই চলবে। দিন শুরু হোক শান্ত, কিন্তু রাতটা আমি অশান্তই চাই। চাই উৎকৃষ্ট লিকার সমৃদ্ধ চা, ভুতের সাথে পৌরনিক গল্প আর এনিমেটেড ফিলম। প্রচুর বই এবং তারপরে ইন্টারনেট। রাতের খাবারে সালাদ, বোম্বাই মরিচ, অল্প কার্বোহাইড্রেড, দুপুরে শবজী, মাংশ আর সকালের নাস্তায় দুটো পাতলা রুটি।
আমার আর কোন ইচ্ছে নেই। এখন শুধুই ঐশিক নির্মাণ!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




