ক্ষেদ ঝরা বিকেল, আলুথালু সন্ধ্যা আর কুর্নিশ করা ভ্যপসা গরম রাত্রিভর জালাচ্ছে সুতোপরা শরীর। সুই ফুঁড়ে তীব্র ব্যাথা কোমল হয়ে গেছে শক্ত এক মানসব্যাধীর উন্মেষে। হাঁটার জন্য গভীর রাত্রে পরিত্রাণের ফন্দি আঁকি, নিদ্রার কাছে সমর্পিত নগরী আগন্তুকদের আদর করে। টেনে বসায় রাজপথের পিচগুলো, তার বিষন্ন তপ্ততা ঘুমুতে যাবার আগে কেঁপে ওঠে পদভারে। মুক্তি নাই, মাড়িয়ে তো যাবে কেউ, তার চেয়ে না ঘুমানোর আন্দোলন ভাল। আমি রাতের সড়ক হই, সড়কের বুক ধরে হুসহুস শব্দ শুনতে থাকা যাত্রা হই।
নাগাল পাওয়া বিকেল খসে পড়েছে অবলম্বনহীন রাতের চাতালে। অসুস্থ শরীর নিয়ে একাকী সে ঘুমায় সুললিত রোগের ডেরায়। পথ্যির সাথে মেশানো ঘুম তার সজাগ তীব্রতা কেড়ে নিয়েছে। আলিংগনের সুধায় বিভর রাত্রি লং ড্রাইভে সকালের কাছাকাছি দাপাদাপি করে, কখন ভোরের আলো এসে পৌছুবে শয়নের সানি্নধ্যে। জেগে উঠে জানাবে কোলাহলে, ভাল হয়ে গেছি প্রিয়তম! স্ফুর্তির দিকবিদিক ছোটাছুটি কয়েকগ্লাস সুমিষ্ট পানিয় পান করে পিঠ এলিয়ে দেবে নরম বালিশে। সুতোপরা শরীর আলগা হয়ে লুটোবে পায়ে পায়ে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


