হাট করে সকালটা খুলতেই নিরাভরণ দিনটা দিল এক কাপ রংচা। ভীমসদৃশ কাজের ফিরিস্তিতে দুশ্চিন্তার উপরের সিড়িতে গা এলিয়ে দিয়ে বসে থাকি মহাআনন্দে। পৃথিবীতে সবচেয়ে চিন্তামুক্ত প্রানী, তালিয়া বাজে কোথাও, শব্দ আসে কানে, আর পেন্ডুলামের মত দোলে অনিশ্চিয়তা অন্য কারো মুখে। যখন জানা হলো ক্ষনস্থায়ী আয়ুস্কাল তার পরে পৃথিবীতে কোন কিছুই আর দামী মনে হবার কারণ দেখি না। না কোন সম্পর্ক, না কোন অর্জন। সব হচ্ছে এ মার্চ টু দ্যা গ্রেট ডিসমিসাল! কোন সি্নগ্ধতা তার সাথে বিবর্ণ হওয়ার গুনগুনানীতে বুকের মাঝে হাহাকারের নাকছেদুনি কান্নায় খিকখিক হাসে অন্তর, কি করা, খারাপ হলে হলাম!
চোখের পাহাড়ে আলগা হয়ে থাকা বরফ ঝরে পড়েছে আগেই, এখন সে চুড়া দেখা যায় স্বচ্ছ, কুয়াশা নাই বিলকুল। মৃতু্যর পরে আমার ঠোঁটে তোমার ঠোঁট ছোয়ালে জীবিত হব না জানি, কিন্তু পাহাড় গড়িয়ে পড়ে যাব সমভূমিতে আরো একবার! কি জানি তোমাদের কি হয়, দলিল-পরচা নিয়ে বসে যাও সম্পর্ক রক্ষায়, আর বিনা শর্তে তোমাকে দিয়ে বসে থাকি সব ঐশ্বর্য্য, যা ছিল যক্ষের ধন। একে কিভাবে দলিলের দস্তাবেজে আটকানো সম্ভব! তার চেয়ে স্পর্শে শক্ত হয়ে থাকা তোমার শরীরের সুইচগুলো চালিয়ে দেই মহারণে, হয়তো বাবা বলবেন, তুই ফুর্তি নে!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


