সালামের অবশ্য দুধঘন করাতে তেমন কোন বিশেষ ট্রেনিং নেই। সে ডিপ্লোমার প্যাকেট থেকে মাঝারী সাইজের কাপে দুধ তুলে জিহবা দিয়ে এক পশলা টেস্ট মারে। সাদা সাদা দুধ লেগে থাকে তার ঠোটে, মুখে, দাত সাদা করে অতপর তা পাকস্থলীতে গিয়ে পৌছে। এ কাজটা যখন করে তখন সবেমাত্র সুবেহসাদিক হয়েছে। আজাদ মসজিদের আজান শেষ হতেই সে উঠে পড়েছে। কিছু বিশেষ মুহূর্ত দেখতে পারে আজানের সময়। অন্য দুজন মেইডের রুম পাশে ফেলে তাকে বাথরুমে যেতে হয়। বারান্দার হালকা আলোতে রুমের ভেতরে অস্টাদশী শেফালীর আলুথালু শরীর। তারপরে দুধ ঘন করার কাজে লেগে পড়ে। পাউডার দুধের একদলা মুখের মধ্যে চালান করে দিয়ে এঁটো দুধের কাপ ঢেলে দেয় গরম হতে থাকা পানিতে। সালামের কাজ তখন থেকে শুরু হয়। ফুরফুরে মেজাজ। দুইজন সোমত্ত কলিগ তার সাথে কাজ করে, ইচ্ছেমত যাদের শরীরের ভয়ংকর বাঁকগুলো দেখতে পারে, তদুপরি অন্নদাত্রীর দুরন্ত শরীরতো তাকে মুগ্ধ করে রাখেই! বিগলিত হয়ে অন্য দুই মেইডের দায়িত্বভুক্ত কাজ যেমন গৃহিনীর শরীর ম্যাসেজ, সাহেবের রুমের ফার্নিচার পরিষ্কার করা - এ কাজগুলোর জন্য মাঝেমাঝে আবেদন করে। তবে সালামের খাদ্যে রুচি যতটা ভয়াবহ ততটা শরীরে নয় বলে শেফালীরা পাশাপাশি রুমে নিশ্চিন্তে ঘুমায়।
ওদিকে আহসান সাহেবের শরীরে অনেক রকম জটিলতা। ত্রিশে পড়া আকর্ষণীয়া তার স্ত্রী বিন্দুমাত্র কাম উদ্্বেগ তৈরী করে না। অথচ অফিসের পিয়ন মেয়েটা থেকে শরু করে তার বস পর্যন্ত যত নারী আছে সবার দিকেই তার চোখের তারা কয়েকবার স্থির হয় যৌনকাতরতায়। সে অবশ্য ডায়নামিক, শরীর মাপতে মাপতে স্ট্রাটেজি ঝাড়তে পারে অত্যন্ত গাম্ভীর্যতায়। ক্ষুধা মেটানো আর কাজ করা দুটোই চলে সমানতালে। কেবল ঘরে এসে স্ত্রী দর্শনে কাম না জাগা একটা বিশাল মনস্তাতি্বক কেস পরিণত হওয়া ছাড়া তার আপাতত আর কোন সমস্যা নেই। এমনিতেই কামসূত্রের 8টি পজিশন চর্চার জন্য সুযোগ হয়ে ওঠে না স্থুল শরীরি আকারের জন্য। অথচ আজকাল নাকি চাইনিজ কামসূত্র অনেক বেশী শারিরীক কসরতের সুযোগ দেয়, সে কোর্সটা তিনি ভুলেও ধরছেন না আবার ঘরে উত্তেজনাবোধ না করাতে। কাজেই ভুরি বেড়ে বিষ্ফোরন্মুখ, সালামের সাহায্য তাকে নিতেই হবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




