প্রায়শই রাত 1 টা হলেও আজকে 11টাতে ফিরতে পেরেছেন আহসান। চলি্লশ ছুই ছুই বয়সে অনেক কিছু রিসিডিউল করতে হয়, খাদ্যাভাস, পানাহার, আড্ডা, ভালোলাগা। তিনি এমন একটা ট্রানজিশনাল লগবইয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন একটা পরিবর্তিত অভ্যাস লেখেন। কলম দিয়ে না লেখা হলেও মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে। একটু কষ্ট করে তিনি এন্টারপ্রাইজ এডিশনের নোকিয়ার মোবাইল সেটটাতে লিখে রাখতে পারেন, অথবা চমৎকার একটা পকেট পিসি রয়েছে তার হ্যান্ড এ্যটাসের শোভাবর্ধন করে সেটাতেও টুকে রাখতে পারতেন, কিন্তু তা না করে তিনি মাথার মধ্যে রেখে দেন। অনেক কিছুই যেমন রাখেন গোপনে, কাউকে দেখালেই বিপদ। ভাবটা এমন ঘরে ফিরে ডাউনলোড করে দেবেন শুধু বন্টনযোগ্যগুলো স্ত্রী, সন্তান ও সার্ভেন্টদের। চলতে থাকবে চমৎকারিত্বে, আর তিনি ফুসফাস নিশ্বাস নিয়ে বলবেন, অফিসের মতই চালানো গেল সংসার!
কিন্তু ঘরে এসে ভুল ভাঙে সালামের দাতখোলা হাসি দেখে। সাব, জলদি আইছেন, বলে কোন প্রশ্ন বা প্রশংসা নয় স্রেফ আহম্মকের ধাড়িটা হাসতে থাকে। আহসানের মুখ কখনও হাসে না ঘরে, সে একটু ভ্রু কুচঁকে বলে, তোর সাথে কথা আছে! পেছনে দরজার নব লাগাতে গিয়ে হাসি উবে যায় সালামের, আর সাব হেটে যায় ঝপঝপ আওয়াজে মাস্টারবেডে। এলিস বসে রয়েছে ফোন লটকে, তাকে দেখে বিগলিত হাসি! আরে মাস্টার, তোমার কি শরীর খারাপ! দরাজ দিলে এগিয়ে আসে কথার মাঝখানে ফোন কেটে দিয়ে। আহসান স্ত্রীকে স্পর্শ করে, অনেকদিন সামনাসামনি জরিয়ে ধরা হয় না। আহসানের ডান কাধের পাশে এলিস বুক লাগিয়ে আলিংগন করে, ভুরিওয়ালাদের হাগিং স্টাইল। চেহারা খুটিয়ে দেখে স্বামীর, আহসান বলে, ধুরো! কিচ্ছু না! ভাবছি ভুরি কমাতেই হবে! সালামের কাছ থেকে টিপস নেবো! সোৎসাহে চেচিয়ে ওঠে স্ত্রী, ওয়াও! তোমাকে কনগ্রাটুলেট করতেই হয়! ঠোটে ঠোটের আলতো স্পর্শ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




