রাত্রী গভীর হতে থাকে। মাস্টারবেডে আরেকটা টিভিতে স্ত্রী সনি আর স্টারপ্লাসে বিভর। সুন্দরী স্ত্রী। পার্টিতে গেলে হ্যাংলা পরিচালক আর নব্য ধনীরা ছোকছোক করতে থাকে তার পেছনে। তারা হয়তো ভাবে পেটমোটা, কদাকার আহসানের থেকে তাদের সংগ পেতে উৎসকু থাকবে তন্বী। কিন্তু আহসান সাহেব সবসময় দেখেছেন তার স্ত্রীর বলিষ্ঠতা। কোন ছোকেল টাইপরা ধারে ঘেষতে পারে না, ইচ্ছে করলে আহসান সাহেব তার জটিল ম্যানুপুলেশন থিউরি ব্যবহার করে ছোকেলদের দৌড় দেয়াতে পারেন, কিন্তু তিনি মনে হয় নিজের মনে মনে স্ত্রীর একটু স্খলন চাচ্ছেন! সেজন্য দেখেন, দীর্ঘদিন একটিভ যৌনবিবর্জিত থেকে তার স্ত্রী পরপুরুষের আসক্ত হন কিনা! বাইরে তো এর চিন্থ কিছু দেখা যায়নি, এখন তাই ঘরের সুযোগটা ঘেটে দেখা।
সালামের হাবভাবে মনে হচ্ছে খাটি ভৃত্য। মনিবের কথায় তার গৃহিনীর সাথে শুতেও পারবে, কিন্তু মুখ খুলবে না কোনভাবেই। অন্নদাতাদের প্রতি ভৃত্যের প্রবল আনুগত্য থাকে। তিনি এবার খুঁজবেন, স্ত্রীর দৌর্বল্য। যদি না পান তবে বরঞ্চ হতাশই হবেন। নিজের প্রবল যৌনচাপ যা তিনি অহরহই বিভিন্ন নারীতে বিযুক্ত করে আসেন, সেটা থেকে একটা মানসিক মুক্তি, আইকনিক অনুসরণ নির্মাণের জন্য মনে মনে অবলম্বন খোঁজেন। কিন্তু এরাতো মনে হচ্ছে মহা ধরিবাজ, ট্রেসলেস কর্মকান্ড। সালামের অহেতুক মনটা বিষন্ন তারপরে সাহেবের নতুন ভীমরতিতে সে বিরক্ত। তার কয়েকদিন পর্যন্ত শরীরে খিচুনির মত কিছু একটা হয়, কিন্তু ভয়ে বলতে পারে না। এর আগের ছেলেটি রোগাক্রান্ত ছিল বলে তাগড়া দেখে তার নিযুক্তি সম্ভব হয়, কিন্তু এখন রোগের কথা শুনলে মালিক রেগে যাবেন ভেবে সে বলতে পারে না। অদৃষ্ট, সালাম যদি জানতো তার মালিক তাকে নিয়ে কি অংক মিলিয়ে যাচ্ছে!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



