দুইবাচ্চার মা আমার পরিচিতা এক রমনী। জিজ্ঞেস করলাম, আপনি প্রেগনেন্ট কিনা কিভাবে বুঝবেন?
ফোনের ঐপাশ থেকে তার বিষ্মিত স্বর শুনি। মানে?
আমি বলি, মানে সিম্পল, আপনি যখন প্রেগনেন্ট হন তখন সিমটম গুলো কি?
সে কিছুটা ধাতস্থ হলো। বললো, ওয়েল, এটা বিভিন্ন শরীরে ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন কারো টেম্পারেচার বেড়ে যেতে পারে, শরীর গুলাতে পারে, এসিডিটি বেড়ে যেতে পারে। মোস্ট অফ অল, পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাবে।
আমি বলি, উম! সব মিলে যাচ্ছে!
সে বলে, কার?
নিশ্চিন্ত মনে এবার বলি, আমার কবিতার!
সে এবার আরো অবাক। আমি তাকে বিষয়টা খুলে বলি।
কয়েকদিন যাবত আমার কবিতার পিরিয়ড বন্ধ। রেগুলার বের হচ্ছে না। তারপরে গায়ে নাকি তাপ বেশী। কবিতার মাথাও গুলাচ্ছে।
সে বলে, ও বুঝেছি, তোমার স্ত্রীর নাম বুঝি কবিতা!
আমি বলি, না না না, কবিতা মানে পোয়েমের কথা বলছি। মনে হচ্ছে আমার কবিতা প্রেগনেন্ট হয়েছে। এবার কিছু লেখা যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




