somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারী

০৯ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুসলিম আইনে নারী পুরুষের অর্ধেক সম্পদ পায়
২০০৭-০৭-০৯ ১২:০৩:৪৭
[Add to digg] [Add to FURL] [Add to blinklist] [Add to My-Tuts] [Add to reddit] [Add to Feed Me Links!] [Add to Technorati] [Add to Socializer] [Add to YahooMyWeb] [Add to Co.mments] [Add to NewsVine]

এ নিয়ে মুসলিম মনিষীরা বিস্তর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যে কথা বলে তাতে কোনভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয় না যে এতে নারী অধিকারকে সমুন্নত করা হয়। নারী শুধু স্বামীর উপার্জন ও সম্পদমুখী হবে এমন একটা ধারণাকে এ থেকে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয় যা নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা বিধানের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। একটা সর্বশ্রেষ্ঠ জীবন বিধান হিসাবে এমন ডিসক্রিমিনেট ধর্মব্যবস্থাকে কিভাবে স্বীকার করা সম্ভব!
এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

রেটিং:০.০/০
আপনার পোস্টে আপনি রেটিং দিতে পারবেন না

* Add to Your Showcase
* Send to your friend
* মন্তব্য লিখুন
* ৫৬টি মন্তব্য
* ১৯৫বার পঠিত



এই লেখার লিংক আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন





এই লেখার লিংক আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন

আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল :

আপনার বন্ধুদের ইমেইল :

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছামত পরিবর্তন করুন ) :
hi, i have been reading a nice wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/28720185 , please visit the link and rate it if you like. :-)

আপনাকেও একটি কপি পাঠান :



comment by: অচেনা বাঙালী বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:২৬:৪০

আস্তমাইয়া আইতাছে
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কোপা সামছু বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:২৮:১৮

কৌশিক তুমি কি এই ব্যাপারে বিস্তারিত অনুসন্ধান করেছ? জানার জন্য কোন কোন গ্রন্থ পড়ছ?

(নারী শুধু স্বামীর উপার্জন ও সম্পদমুখী হবে এমন একটা ধারণাকে এ থেকে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয় ) @ এটা কিভাবে প্রতিষ্ঠত হল বুঝাগেল না.... একটু ব্যক্ষ্যা দিলে ভাল হয়... এই বিষয়টা কোথায় পাওয়া গেছে?
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: অমিত বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:২৮:২২

আমি তো ফযু বিলাইয়ের ১০ টা হাদিস আশা করসিলাম এতক্ষণে...
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: অচেনা বাঙালী বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:২৯:১৪

নারীদের সর্ব প্রথম কাজ বোরখা পইরা হবু জামাইর জন্য সতীচ্ছদ অক্ষুন্ন রাখা। (এই ব্লগের মোল্লাগো ওয়াজ থিকা শিখছি)
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:৩৫:৩৪

নারীরা পিতার সম্পদের কিছু অংশ এ স্বামী থেকেও পায়। দুই জায়গায় হলনা?
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: অচেনা বাঙালী বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:৩৯:০১

(যাউক, একটা আইছে)
স্বামীর যদি কিছু না থাকে?
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:৪৩:৫৫

কেন সমান সমান নয়? অসমান দেখতো পাচ্ছো স্পষ্টতই, এমন স্পষ্ট সত্যের আর কি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দরকার?
নারী ও পুরুষ উভয়ই মানুষ। এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা করলে পুরুষের যে শাস্তি হবে নারীরও তাই হবে।
কেন দুনিয়ায় সম্পদের এই বৈসম্যমূলক বন্টন? ব্যাখ্যায় যাবার আগে নিজের ব্যাখ্যা তৈরী করুন, দেখুন সেটার সাথে নারীর সমতা কিভাবে প্রতিবন্ধক হয়ে আছে। কেন এমন করা হয়েছে বলে মনে হয়? ব্যাখ্যাতে ঘুরে ফিরে এই দেখবেন - নারী ও পুরুষ অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানে অসমান।
মুসলিম ধর্মে নারীকে কেবল দামী একটা ভোগ্যসামগ্রী হিসাবেই ধরা হয়েছে। সমান অধিকারপ্রাপ্ত হিসাবে নয়।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:৪৮:৪৭

আমি আপনার সাথে তর্ক করতে চাইনা। কারণ আমি ইসলাম সম্মন্ধে খুব বেশি অভিঙ্গ নই।
ইসলামকে আমি বিশ্বাস করি তাই এ বিষয়ে যা বলা হয়েছে সেটাই জানি।
যদি শুধু নারীকে দিয়ে ইসলামকে মাপতে চান তাহলে আপনি স্বপক্ষের যুক্তিতে জয়ী হতে পারবেন। পবিত্র কোরআনে এমনটাই বলা হয়েছে।
হাদীসেও বলা হয়েছে নারীকে শ্রেষ্ট ভোগ্য। আসলে এ বিষয়ে তাফসির কারকগন বিশ্লেষন করতে পারবেন। কেন বলা হয়েছে। আবার কোন কোন জায়গায় নারীকে সমঅধিকারের কথাও বলা হয়েছে।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: অচেনা বাঙালী বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:৫০:৩১

এইটারে দিয়া হইব না
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: মদন বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১২:৫৭:০১

সম্পদের ভাগ বাটোয়ারার সঠিক নিয়ম আমি জানিনা। যতটুকু জানি একজন মেয়ে তার পিতা এবং তার স্বামীর সম্পদের ভাগ পায় যেখানে একজন পুরুষ শুধুমাত্র তার পিতার সম্পদের ভাগ পায়।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: দিগন্ত বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:০৩:২৭

কি লেখা আছে জেনে কি হবে? নতুন করে লেখা হোক সম্পত্তির ভাগের সমীকরণ।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:০৬:১৯

ক্যা, পুরুষ স্ত্রীর ভাগ পায় না? পুরুষরা দিতে চায় না তাই পায় না।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:১১:১০

স্বামীর ভাগের উপরে নির্ভর করে পিতার ভাগ অর্ধেক করে দেয়া হলো। স্বামীর ভাগ পাবে মৃত্যুর পরে। তাছারা স্বামীর কাছ থেকে পাচ্ছেই সেজন্য অর্ধেক করা হলো পিতার সম্পদের। যে মেয়েদের বিয়ে হ্য় না তাদের জন্য কি ব্যবস্থা। আবার পিতার কাছ থেকে যে অর্ধেক পেল না সে পরিমানই যে স্বামীর কাছ থেকে পাবে তার কম পাবে না, সেটা কিভাবে পূর্বেই নির্ধারণ করা সম্ভব?
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে স্বামী ছাড়া গন্তব্য নাই। নারী ও পুরুষ সমাজে একই অবস্থানে থাকার ক্ষেত্রে ইসলাম কখনই সমতা বিধান করে নাই। আপনি হুজুরদেরকে জিজ্ঞেস করেন তারা স্পষ্টতই বলবে, নারী ও পুরুষ সমান নয়।
একমাত্র বায়োলজিকাল ডিফারেন্স ছাড়া যেখানে নারী ও পুরুষ মানুষ হিসাবে একই মর্যাদা পাবার অধিকার রাখে সেখানে তথাকথিত ইসলামমনস্কদের ব্যাখ্যা হচ্ছে - নারীরা কম মেধাসম্পন্ন, কম শক্তিসম্পন্ন। যদি সমাজে নারীর চেয়ে খাটো ও কম শক্তিসম্প্ন পুরুষ বিবাহের রীতি থাকতো তাহলে আবার চিত্রটা ভিন্ন দেখা যেত।
আমার বোন ও আমি একই সমান উচ্চতা বিশিষ্ট। সে দুবছরের ছোট হয়েও মারামারিতে সবসময় আমার সাথে জিততো। বাবার সম্পদ ভাগাভাগিতে আমি তাকে আমার প্রাপ‌্যটুকুর মতই দিতে চাই। বাধ সেধেছে আমার মা, বউ। মুসলিম আইন ফলো করতে করতে সামাজিক নিয়মও এত শক্তভাবে তাদের মধ্যে গেঁথে গেছে যে এখন নারীর ভালো নারীই বুঝতে চায় না।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: লাল মিয়া বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:১২:১৮

যৌনাকাঙ্খাই অসহনীয় মাথাব্যাথার কারণ
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কোপা সামছু বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:১৩:০৬

কৌশিকের অনেক উৎত্তর এর মাঝে আমার প্রশ্নের উৎতর পাওয়া গেল না।
একটা বিষয় বুঝা গেল না, এই ধরনের ধর্মীয় প্রশ্ন গুলো ধর্মীয় সাইটে না করে সাধারনের মাঝে করার উদ্দেশ্য কি?
ধর্মীয় সাইটে আনেক বিজ্ঞ ব্যক্তিগন আছেন উনারা সঠিক উৎতর দিতে পারবেন। (জানার উদ্দেশ্য থাকলে সেখানেই করা উচিৎ)
যখন কারো বিশেষ কোন উদ্দেশ্য থাকে তখন সঠিক জায়গায় প্রশ্ন না করে অন্য জায়গায় করা হয়। (তখন উদ্দেশ্য হয় বিভ্রান্তি ছড়ানো)
এ ব্যপারে হুমায়ুন আহমেদের একটা মন্তব্য উল্লখ করা যেতে পারে, উনি বলেছিলেন "যারা ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমালোচনা করেন তাদেরকে অন্যন্য বিভিন্ন ধর্মের আনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে দেখা যায় অথচ উনার ইসলাম ধর্মীয় কোন আলোচনা আনুষ্ঠানে উপস্থিত থকেন না। এবং আলেমদের সাথে বসে বিষয়গুলো আলোচনা করেন না"।

সুতরাং "সাধু সাবধান"
কৌশিকে অনুরোধ করব এই ধরনের ট্যেকনিকেল প্রশ্ন গুলো http://www.islam.com করেন আপনার সঠিক উৎতর পাবেন।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: দূরের তারা বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:১৫:৩৮

যারা আল্লাহকে ও তার রাসুলকে বিশ্বস করে না তাদের মাথায় এমন প্রশ্ন আসে।

বিয়ের আগে মেয়েদের দেখভাল করার দায়ীত্ব থাকে বাবার উপর। বিয়ের পরে তা বর্তায় স্বামীর উপর। এতে তো মেয়েদের অধিকারের প্রশ্ন আসার কথা না।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:১৫:৫৩

আমার পোস্ট যখন করা হয় তার নিচেই ছিল ফজলে এলাহীর পোস্ট। সেটা তবে এখানে কেন? যুক্তি দেখান।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:১৮:৫৫

দূরের তারা, তার মানে হচ্ছে, পিতার ঘর ছাড়ার পরে একজন পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারে, নারী পারে না? বরং তার চেয়ে এটা বলা ভাল, নারী পুরুষের সমকক্ষ কখনও হতে পারে না। মানে নারী ও পুরুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা বিধান করা সম্ভব নয়!
এটাতো ইসলামেরই শিক্ষা? কি বলেন? নারী ও পুরুষকে যে ধর্ম এত পরিষ্কারভাবে অসমান করেছে সে ধর্মে আবার নারীর অধিকার কিসের?
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: অমিত বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:২০:২৪

কৌশিক ভাইয়ের শেষ কমেন্টে ৫।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: অমিত বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:২০:৫৫

ধুর শেষের আগেরটা হবে
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:২৪:০০

পৃথিবী চালায় পালোয়ান, বডিবিল্ডার, রেসলার আর মিঃ ওর্য়াল্ডরা।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: মদন বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:২৬:২৩

মেয়েরা,
বাবার সম্পদ থেকে ভাগ পায়
স্বামীর সম্পদ থেকে ভাগ পায়
স্বামী থেকে মোহরানা পায়

ছেলেরা,
তার প্রাপ্ত সম্পদ থেকে তার পরিবার এবং নিজ পিতা-মাতা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী ইত্যাদি পরিজনদের প্রতিপালনের জন্য দায়বদ্ধ থাকে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই তার প্রয়োজনটা বেশি হয় একজন মেয়ের থেকে। (এটা আমার ব্যাখ্যা। মনে রাখতে হবে আমার নাম মদন)
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: মদন বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৩০:২৩

মোহরানার টাকা শুধু মাত্র মেয়েরা পায় এবং এই টাকাটা মেয়েদের লাইফইন্সুরেন্সের মতো। এতে কারো নুন্যতম অংশীদারীত্ব নেই।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৩০:৩৪

একটা মাইয়া যদি চু্দতে চায় এক সাথে দশজন পোলারে পারবে, একটা পোলা দশজনরে পারবে?
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৩৩:২৩

good old কৌশিক দাদা।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: মদন বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৩৩:৩৬

ইসলামে কিছু বিষয়ে পুরুষকে বেশি মর্যাদা দেয়া হয়েছে আর কিছু বিষয়ে নারীকে বেশি মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: মদন বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৩৮:১৫

স্বামীর ঘরে আসার পরে মেয়েদের ইচ্ছা তাকলেও পিতা-মাতার দেখভাল করার সুযোগ থাকে না। এটা তো যে কেউ বুঝে।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৪১:৪৫

জুতা মাইর‌্যা গরু দান।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৪৩:১৬

সুবিধামত জায়গায় দেয়া হইছে। কারণ নারীকে ঘরেই থাকতে হবে। যদি বলেন, কর্মের অধিকারও সমান থাকছে তাহলে অন্য আলাদা আলাদা হিসাব নিকাষের মানে থাকে না। নিয়মগুলা এমনভাবে করা হয়েছে যে মেয়েরা উপার্জন করবে না, বাইরে বের হবে না, কোন কাজ করবে না।
ইসলামের চারখলিফার মধ্যে একজনও মহিলা নয়। হিসাবটা দুইজন পুরুষ দুইজন মহিলা হওয়া উচিত ছিল।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কোপা সামছু বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৪৮:১০

(স্বামীর ভাগের উপরে নির্ভর করে পিতার ভাগ অর্ধেক করে দেয়া হলো। স্বামীর ভাগ পাবে মৃত্যুর পরে)
স্বামীর দায়িত্ব হল স্ত্রীর যাবতীয়(মূলত ভরন পোষন সহ) কিছু দেখাশুনা করা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর কোন দায়িত্ব নাই স্বামীর প্রতি। এখন যার কোন দায়িত্ব নেই সে কি করে দায়িত্ববান স্বামীর কাছ থেকে সমঅধিকার দাবী করতে পারে? (তোমার আফিসের যে ব্যক্তির তোমার সমান দায়িত্ব পালন করে না, কম করে, সে কি করে তোমার সমান বেতন দাবী করতে পারে? আর যদি সেই ব্যক্তিকে তোমার সমান বেতন দেয়া হয় সেটা কি তুমি মেনে নিবা?
(আবার পিতার কাছ থেকে যে অর্ধেক পেল না সে পরিমানই যে স্বামীর কাছ থেকে পাবে তার কম পাবে না, সেটা কিভাবে পূর্বেই নির্ধারণ করা সম্ভব?){ব্যপারটা ধরে নেয়া হয়েছে, যখন কম পাবে এবং যেখানে অনিষ্চত}
এক্ষেত্রে বলতে হয় আবার স্বামীর কাছ থেকে যে পরিমান পাবে তা কি পিতার আর্ধেকের( যে আংশ পায় নাই) তার থেকে বেশী হতে পারে না? সেটা কি ভাবে নিষ্চিত করে বলতে পারা যায়?
(একমাত্র বায়োলজিকাল ডিফারেন্স ছাড়া যেখানে নারী ও পুরুষ মানুষ হিসাবে একই মর্যাদা পাবার অধিকার রাখে)
বায়োলজিকাল ডিফারেন্স যেখানে আছে সেখানে কি করে সমান দাবী করা যায়? বায়োলজিকাল ডিফারেন্স এর কথা যে খানে স্বীকার করা হল সেখানে কিভাবে বলা যায় দুটি ভিন্ন মাত্রার বিষয় কে একই ভাবে মূল্যায়ন করতে হবে?
বায়োলজিকাল ডিফারেন্স মানেই হল কারো মাঝে কিছু সুবিধা ও কারো মাঝে কিছু অসুবিধা আছে।
বিষয়টা একটু ব্যাক্ষ্ দেয়ে যাক... পুরুষের মাঝে যখন বায়োলজিকাল ডিফারেন্স থাকে তাখন কি দুজন কে একই মাত্রায় মূল্যায়ন করা হয়? সেনাবাহিনীতে বায়োলজিকাল ডিফারেন্স (যেমন শুধু উচ্চতার জন্য)এর জন্য কাউকে বাদ দেয়া হচ্ছে? তাহলে সেটা কি ভূল হল?
আরেকটা উদাহরন দেয়া যাক, সমান আকৃতির গাভী ও ষাড় কে তুমি কি একই মূল্যে কিনবা? কখনই না, এখানেও বায়োলজিকাল ডিফারেন্স্ এর জন্য মূল্যের তারতম্য হচ্ছে।

মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: মুকুল বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৫৩:৪৫

কৌশিক, আপনি আপনার বোনদের সম্পত্তির সমান অংশ দিলেই হয়। ইসলাম তো আর তা করতে মানা করে নাই। নূন্যতম অর্ধেক দেয়াটা হচ্ছে আইন।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৫৩:৫৯

বায়োলজিকাল ডিফারেন্স মানে অসমান না। এটা ডিফারেন্স। যেমন তোমার ধোন আছে, তেমন তার আছে যোনী। তুমি নারীকে বলতে পারো না, দেখো আমার ধোন আছে, তোমার আছে? সে তখন বলবে আমার যোনী আছে, তোমার কি আছে?
এটা নারী ও পুরুষের বায়োলজিকাল প্রভেদ। একজন ইমপ্রেগনেন্ট করবে, আরেকজন প্রেগনেন্ট হবে। কারো চেয়ে কেউ ইনফেরিয়র হবার বিষয় এখানে নেই। কিন্তু সমাজে, অর্থে, ক্ষমতায় নারীকে অসমান করা হয়। সমতা বিধান সেখানে দরকার। তার নারীত্বের দোহাই দিয়ে তাকে অবমূল্যায়নের কোন সুযোগ নাই।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কোপা সামছু বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৫৫:২১

(ইসলামের চারখলিফার মধ্যে একজনও মহিলা নয়। হিসাবটা দুইজন পুরুষ দুইজন মহিলা হওয়া উচিত ছিল)
না বুঝে কথা বললে তো হবে না, ইসলামে খলিফা বলে যে জিনিস আছে সেটা ইসলামের তৈরি কোন বিষয় না। ইসলামের কোথাউ বলা নাই খলিফা সিষ্টেম এ দেশ চালাও.. খলিফার উল্লখ ইসলামের কোথায় বলা আছে?
কারন ইসলাম নবী মুহাম্মদের মৃত্যুর পর পরিবর্তন বা সংযোজন হবার অবকাশ নাই।
এটা ছিল সাধারন নিয়মেই রাষ্ট্র পরিচালিত ব্যাবস্থা, যাকে কিছু মানুষ খলিফা বলে অবহিত করেছে।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৩:৫৭:৪৬

মুকুল - সেক্ষেত্রে আইনগত সমস্যা আছে। এ কাজটা যে সম্পদের মালিক সেই করতে পারবে, মানে বাবা। কিন্তু বাবা সেটা করবেন না। কাগজ পত্রে করবেন না। অবশ্য আমি আমার বোনকে আমার পরিমাণ সম্পদ তাকেও ভোগ করতে দেব। কাগজ পত্র ও করে দেব। একমাত্র বোন - তাকে অবশ্যই সমান সম্পদ পেতে হবে।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কোপা সামছু বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৪:০১:৪০

{বায়োলজিকাল ডিফারেন্স মানে অসমান না।}
নিজেই বলছ ডিফারেন্স আবার বলছ "অসমান না"।
ব্যাপারটা হাস্যকর।
দুটা জিনিসের মাঝে "ডিফারেন্স আছে" বলে যদি বলা হয় "তারপরও এ দুটি জিনিস সামান" তাহলে তুমার যুক্তি কোথায় রইল? নিজের কথাকেই নিজে অস্বীকার করলা।
ডিফারেন্স থাকলে সমান কিভাবে হয় একটু বুঝাও....কিছু উদাহরন দিতে পারবা?
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: মদন বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৪:০১:৫৬

কোল্ড ড্রিংকস আর দুধ সমান নয়। একজন বেশি মুখরোচক একজন বেশি পুষ্টিদায়ক। কাজেই দুজনের তুলনা চলতে পারে না। দুজন যার যার জায়গায় সেরা।

যদি কুটতর্কই করতে হয় তাহলে তো বলতেই হয় মায়ের প্রসব যন্ত্রনা, সন্তান লালন-পালন আর সন্তানকে দুধ পান করিয়ে বড় করার একই ব্যবস্থা পুরুষরা পায়নি তাই পুরুষদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: দিগন্ত বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৪:০২:১১

আমি ঠিক বুঝছি না, যারা বিপক্ষে বলছেন তারা কি নারী-পুরুষের অসাম্য এখনও চান? মানে নিজের বোনের চেয়ে বেশী সম্পত্তির ভাগ চান? ভোটের বেলায় তো সবারই ১টা ভোট -নাকি সেখানেও ছেলেদের ২টো থাকা উচিত?
মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
comment by: কৌশিক বলেছেন :
২০০৭-০৭-০৯ ১৪:০৩:৩৪

সামছু, ইসলাম কখনও ক্ষমতায় নারীকে দেখতে চায় না। তাহলে কিছু দৃষ্টান্ত স্বর্নযুগে থাকতো। কোন কাজী, বিচারক, নারীকে করা হয় না। স্টেটের গর্
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা ছিলো সোনার কণ‍্যা, মেঘ বরন কেশ!!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ ভোর ৬:১৩



শাওন প্রশ্ন করেছিলে ৭৮ বছর বয়স্ক একজন মহিলার। অন্তর্বাস উচিয়ে যখন অন্তর্জালে দাঁত মুখ খিচিয়ে উল্লসিত বহু পোস্টে ভেসে যায় ।কিংবা দেয়ালে সরাসরি দি লিখে প্রচার করছিলো তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘ছুটি’র স্মৃতি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

(প্রায় দু’মাস আগে লেখা। তখন গ্রীষ্মকাল হলেও ঢাকায় কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হতো। এখনকার মত “ঘাম ঝরে দরদর” ধরণের গরম ছিল না। রাতগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ঠাণ্ডা থাকতো।)

আজ খুব ভোরে (শেষরাতে)... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে কারণে এবারের বিশ্বকাপও আর্জেন্টিনার ঘরেই উঠবে B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪



কারণ আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত, মেসি-মার্তিনেজরা অপ্রতিরোধ্য। আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত এই বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচেই একছত্র আধিপত্য দেখিয়ে জয়লাভ করে প্রবল বেগে ফাইনালের দিকে ধ্বাবিত হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে গতবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোমিওপ্যাথি হচ্ছে একটি ধাপ্পাবাজ কিবিরাজি চিকিৎসা পদ্ধতি এর বৈজ্ঞানীক কোন ভিত্তি নেই

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:০৪



হোমিওপ্যাথি যে একটি ভাঁতাবাজি চিকিৎসা পদ্ধতি তা আমি আগেও জানতাম কিন্তু আমি কখনো এর বিরুদ্ধে কথা বলিনি বা কোথাও কিছু লিখিনি- তবে আজ কি মনে করে চ্যাটজিপিটির কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×