মসজিদ-মাদ্রাসা বেইজড শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠান জঙ্গীবাদ জন্মের জন্য সবচেয়ে উর্বর ও সম্ভাব্য জায়গা। জঙ্গীরা লাল মসজিদে চারশ নারী ও শিশুকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সন্বন্ধে সতর্ক হবার প্রয়োজনীয়তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। ঢাকাতে লালবাগ মাদ্রাসাসহ এমন অনেক ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে জঙ্গীবাদের সমর্থনে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী সভা, সেমিনার, তৎপরতা বিদ্যমান থাকতে পারে। তদুপরি গতকাল ঢাকার মিরপুরে স্বামী স্ত্রী জেএমবির ক্যাডার পুলিশের সাথে সম্মুখ সমরে লিপ্ত হয়েছে। এতদিন এই সব ঘটনাগুলো ঢাকার বাইরে ঘটতো। এখন খোদ ঢাকাতে!
ঢাকা সহ বাংলাদেশে এমন অনেক মাদ্রাসা আছে যেগুলো কোন সরকারী সংস্থার নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। কারিকুলাম ও তা কোন উদ্দেশ্যে পরিচালিত সেবিষয়ে সরকারেরর ধারণা অপ্রতুল। এসমস্ত প্রতিষ্ঠান ছাড়াও মসিজদে শুক্রবার খুতবার সময় অনেক রেডিকাল ইমাম ধর্মীয় উসকানীমূলক বক্তব্য ও ধর্মীয় বিষেদগার ছড়িয়ে থাকে এবং সবচেয়ে আহম্মকের মত কাজ হচ্ছে মাইকে আবার সে বক্তব্যগুলো চেচিয়ে চেচিয়ে প্রচার করে। খুতবার সময় অমুসলিমদের ধ্বংষ করার আহবান সম্বলিত বক্তব্য জোরেসোরে উচ্চারিত হতে দেখা যায়।
মসজিদের খুতবায় সামাজিক সংস্কারমূলক অনেক বিষয় স্থান করে নিতে পারে। যেমন, পরিবার পরিকল্পনা উৎসাহ প্রদান, নারী শিক্ষার সম্প্রসারণ, এইডস বিরোধী ক্যাম্পেইন, দূর্নীতি বিরোধী পারিবারিক চেতনা বৃদ্ধি, শিশুশ্রম বন্ধ, নারী নির্যাতন বন্ধ - এমন সব বিষয়ের ধর্মসিদ্ধ আহবানে শুক্রবারের জমায়তে মানুষ মটিভেটেড হতে পারে। সরকার এমন সব রাষ্ট্রীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় খুতবার বিষয় হিসাবে নির্ধারণ করে দিয়ে - ধর্মীয় বিষেদগার ছড়ানো থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করতে পারে। সরকারী নিয়ন্ত্রণের বাইরের মাদ্রাসাগুলো তল্লাশী করে এখনই দেখা উচিত সেখানে লাল মসজিদের মত কোন পরিকল্পনা সংগঠিত হচ্ছে কিনা! বি কুইক যৌথবাহিনী!
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


