somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রয়োজন বীর সেনানির

১৬ ই মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগের আওতামুক্ত করে সম্পূর্ণ পৃথক একটি বিভাগে পরিণত করা হজরত উমর রাঃ অমর ও অভিনব কীর্তি।

কাজি বা বিচারক নিয়োগে তিনি সর্বাধিক সতর্কতা অবলম্বন করতেন। এই পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর জ্ঞানের প্রসিদ্ধি, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও কার্যক্ষেত্রে পরীক্ষা গ্রহণের পর তিনি নিয়োগ দিতেন।

তাঁর নির্বাচিত বিচারকরা তদানীন্তন আরবের শ্রেষ্ঠতম ব্যক্তি ছিলেন। মদিনার বিচারক পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন হজরত জায়েদ বিন সাবেত (রা.)। তিনি রাসুল (সা.)-এর যুগে ওহি লেখক ছিলেন। হিব্রু ও সুরিয়ানি ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ইসলামী ফিকাহ শাস্ত্রের অন্যতম শাখা দায়ভাগ বা ফরায়েজের জ্ঞানে তাঁর সমতুল্য আর কেউ ছিল না।

সাহাবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত হজরত আবদুল্লা বিন মাসউদ (রা.) 'কুফা'য় বিচারক নিযুক্ত হয়েছিলেন। পুরো হানাফি মাজহাব তাঁর পাণ্ডিত্যের অমৃতময় ফল। জনসংখ্যানুপাতে বিচারালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিটি এলাকায় অন্তত একজন বিচারক নিযুক্ত করেন এবং ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের জন্য তাদের ধর্মীয় আইনসম্মত বিচার পরিচালনায় পৃথক আদালতের ব্যবস্থা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষদর্শী ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরীক্ষা করার পর তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন।

বিচারকদের এমন উচ্চস্তরের বেতন নির্ধারণ করেন, যাতে তাঁদের অর্থোপার্জনের জন্য অন্য কোনো উপায় অবলম্বনের প্রয়োজনই হতো না। তাঁর আমলের বিচারক কাজি শোরাইহের বেতন ছিল পাঁচ শ দিরহাম। ইসলাম ও হুকুমতের নিয়মকানুন জানা ও জনগণকে আইনি সেবা প্রদানের জন্য তিনি এলাকাভিত্তিক পৃথক ফতোয়া ও আইন পরিষদ গঠন করেন। অনভিজ্ঞ লোক দ্বারা যাতে ভুল মাসায়ালা বা 'ফেতনা' সৃষ্টি না হয় সে জন্য তিনি অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে এই বিভাগে লোক মনোনীত করতেন। সেসব যুগশ্রেষ্ঠ মনীষী ব্যতীত অন্যদের ফতোয়া দেওয়ার অধিকার ছিল না।

ইসলাম আমাদের দিয়েছে সঠিক ন্যায় ও অভিনব বিচার পদ্ধতি । আজ আমাদের বিচার পদ্ধতি কে নিজের মতবাদ দিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে । মিথ্যা রায় দিয়ে আলেমদের ফাসির কাস্টে ঝুলিয়ে দেওয়ার মত হিম্মত পাচ্ছে সুরেন্দ্র কুমার সিনহাদের মত কুলাংগাররা । ইসলাম কে ধ্বংস করার জন্য বাতিল আজ মাথা চড়া দিয়া ওঠেছে ... আমাদের বড়ই প্রয়োজন উমরের মত আরেকজন বীর সেনানির ...
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:৪০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্দর সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২১



সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!

মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রীয় সফর, আম তারেক আর চার সিটের দূরত্ব!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেপালে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সস্ত্রীক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। তখন কিশোর তারেক রহমানেরও শখ জাগল—তিনিও নেপাল যাবেন।

বাবা বুঝিয়ে বললেন, রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ মানেই পরিবারের সবাইকে রাষ্ট্রীয় টাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×