অতিরিক্ত সচেতনতা অনেক সময় বিপদের কারন হয়ে দাড়ায় । একটা ঘটনা বলি , আমার এক রিলেটিভ তার ছেলের চরিত্র নিয়ে সর্বদা খুব ভয়ে থাকেন । তাদের ভয়টা এতোটা বেশি যে সেই ছেলের সিনেমা দেখা নিষেধ , মাল্টিমিডিয়া ফোন ব্যাবহার করা নিষেধ, বললে হয়তো বিশ্বাস করবেন না শুধু এই কারনে গতো বছর তিনেক আগেও তাদের বাড়ীতে কোনো ডিশ ক্যাবলের সংযোগ ছিলো না । শুধু তাই না এখনো তার বাড়ীতে যখন তার বাবা মা থাকে না তখন ঐ বাড়ীর টিভির ঘর তালাবদ্ধ থাকে , এটা ছারাও পেপারে বিনোদন পাতা দেখা নিষেধ, অতিরিক্ত সুন্দরীরা যেদিকে চলাফেরা করে সেদিকে যাওয়া নিষেধ । অর্নাস সেকেন্ড ইয়ারে পড়া একটা ছেলে ছোট থেকে এমনভাবে মানুষ হয়েছে যে সে এই বয়সে এসে একটা ক্লাস সিক্স সেভেনে পড়া ছেলের মতো নিষিদ্ধ বিষয়গুলো নিয়ে খুব কৌতুহলি এবং আগ্রহী পরতেছে । বলতে গেলে এই বিষয়ে তার মনোভাব একটা কিশোরের সমপর্যায়ে । এইটা থেকে লাভের লাভ কি হলো ? ঐ ছেলে এখন মেয়েদের সাথে সহজ হতে পারবে না , আজ বাদে কাল তার বিয়ে হলে বউকেও সহজভাবে নিতে পারবে বলে মনে হয় না । ওর বাবা মা অতিরিক্ত ভালো করতে গিয়ে সব কিছু প্যাঁচ লাগায়ে দিছে , ছেলের দৈহিক ও মানসিক বিকাশের মধ্যে বিরাট একটা গ্যাপ তৈরি করে দিয়েছে । নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে একটি ছেলেকে সু চরিত্রের অধিকারি করা যায় না , তাকে চরিত্রবান বানাতে হলে সু শিক্ষা দিতে হবে ,ভালো খারাপের তফাত বোঝাতে হবে । তা না করে তাকে খারাপের থেকে দূরে রাখলে তার কৌতুহল ওদিকেই আগে যাবে ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৪:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




