আজ শুক্রবারে এমন একটি হত্যার চেষ্টা ঘটবে, কে জানতো! সত্যি অবাক হবার মতো বিষয়। আমাদের দেশে যে গুম খুনের চর্চা এতোকাল যাদের মাধ্যমে হয়ে আসছিলো, তারা যে এখনো সক্রিয়, এটাই তার বড় প্রমাণ। তারা এখনো সাধারণ মানুষের মুখে তাদের সমালোচনা শুনতে চায় না। তাদের অন্ধকার ইতিহাস নিয়ে কেউ মুখ খুলে প্রাণ খুলে কথা বলুক, এটা তারা হতে দিতে চায় না। হাদি তাদের হাতে বলির শিকার। অনেকে বিএনপির মির্জা আব্বাস কে এর জন্য দায়ী করছেন। যেহেতু ঐ আসনে মে মির্জার প্রতিদ্বন্ধি। তবে আমার মতে এটা মির্জার কাজ নয়। এই মুহূর্তে সে এমন কাজ করবে না। আল্টিমেটলি সেও জানে এমন কাজের দায় ভার তার কাঁধেই এসে পড়বে। তাই আমার মতে সে এই কাজ করবে না। এই কাজ পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার ও তার ভাড়া করা গুন্ডারাই করেছে। যেনো সন্দেহের তীর মির্জার দিকে যায় আর তাদের বিরুদ্ধে বিশোদগার করা হাদির মুখ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যায়। সাপও মরলো, লঠিও ভাংলো না।
সরকারকে আশু এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। আরেকটি প্রতিবাদি কন্ঠস্বর এইভাবে ঝরে পড়ার আগেই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি তা না হয়, দেশে আরেকটি অরাজকতা সৃষ্টি হবে। ফ্যাসিস্ট তো কোনদিনই ফিরতে পারবে না, তবে তারা শুধু ফাউল করার টার্গেটে মাঠে খেলে যাবে। এদের সবাইকে দ্রুত লাল কার্ড দিয়ে খেলার মাঠ থেকে বহিষ্কার করাই হবে ইউনুসের প্রধান কাজ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

