গতকাল পঁচিশে এপ্রিল বিকাল ৪ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত দুবাই কনস্যুলেটে বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন স্থানের কয়েক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেয়। এটি ছিল বাংলা ভাষা ভাষীদের অনবদ্য এক মিলনমেলা। মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল বাংলা খাবারের স্টল আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নিজ দেশের সাংস্কৃতি , কৃষ্টি ও ঐতিহ্য প্রবাসীরা কতটা যতনে লালন করে এখানে না আসলে বুজতেই পারতাম না। কয়েক মাস হচ্ছে আমার প্রবাসে আসা। বিদেশের মাটিতে এতো বাঙালি একসাথে আগে দেখিনি। মেলায় এসে মনে হচ্ছিলো এ যেন এক খন্ড বাংলাদেশ।
মেলাপ্রাঙ্গণে ঢুকতেই চোখে পড়ে দেশীয় আলপনা আর নানা রকম খাবারের স্টল। চটপটির স্টল চোখে পরতেই আর লোভ সামলাতে পারছি না। বাংলাদেশ থেকে আসার পর চটপটি ফুসকা খাওয়া হয়নি। আগে রাস্তার ধারে দাড়িয়ে কত ফুসকা,ঝালমুড়ি খেয়েছি মনে করতেই জিহ্বায় জল চলে আসছে। চটপটি ফুসকা দিয়ে উদর পূর্তি করে বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখছি। ঝালমুড়ি খুচ্ছিলাম চোখে পরে নি। পাশে স্টেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে। মাঝে মাঝে ঢু দিয়ে আবার স্টল স্টল ঘুরছি।
[সারি সারি স্টল , অনেকেই ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আসছে। বাচ্চারাই হছে মেলার প্রাণ । ওদের আনান্দ ছিল দেখার মতো ]
[ফুচকার দিকে চোখ যেতেই , আহ শান্তি শান্তি ভাব]
[ছোট পরী তাশফিয়া, বাবার কাঁধে চেপে স্টেজ শো দেখছে আর হেসে কুটি কুটি হচ্ছে ।]
[খাবারের জন্য স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে সবাই]
[কুটুম বাড়ির স্টল, স্টলটা বেশ সুন্দর লাগছে। খেজুর পাতা দিয়ে বানানো বাংলার ঐতিহ্য ফুটে তোলা হয়েছে।]
[প্রচুর লোকসমাগম হয়েছে, হাটা চলার জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। ]
[স্টল গুলোর সামনে প্রচুর ভিড়। ঠেলাঠেলি করে এগোতে হচ্ছে। পুরাই বাংলাদেশ]
[পিছন দিকের গেট ভিউ]
['চার ছক্কা হৈ হৈ বল ঘুরিয়ে গেল কই ' লাইভ ফ্ল্যাশ মভ]
[মাসুদ ভাইয়ের স্টলে আপুদ্বয় ]
[ "আজ নগদ কাল বাকি" আমি আজ বাকি কাল নগদ খেতে চেয়েছিলাম আমাকে খেতে দেয়নি
[স্টেজে গান চলছে। মাঝে মাঝে অনেকেই গানের তালে তালে নেচে উঠছে]
পরস্পরের সঙ্গে জানাশুনা, আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ সবমিলিয়ে দারুণ একটি দিন উপভোগ করছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১৪ সকাল ১১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



