somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সরকারি সেবার পরিধীর মান একটু কী ভাল করা যায়না?

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সরকারি সেবার পরিধীর কথা কি ভাবে আর বর্ননা করা যায়. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালের অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে অর্নাস, ডিগ্রী, প্রিভিয়াস মার্ষ্টাস, মার্ষ্টাস সহ সব কোর্স এর র্ভতি ফরম পুরন করা হয় এই ওয়েব সাইটের ফিকুয়েনছি এতটাই নিন্ম মানের যে ওই ওয়েব সাইটের সার্ভারই ঠিক ভাবে কাজ করে না আর ঠিক ভাবে লাইনও পাওয়া যায় না। একটা ফরম পুরন করতে সময় লাগে প্রায় ৩-৪ ঘন্টা বা কখন কখন অনিশ্চিত থাকতে হয় যে আজ সারা দিন মিলে ফরমটা পুরন হবে কিনা. র্সাভারের অবস্থা যদি এই হয় তাহলে সরকার কিভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশন দেয়। সরকারি সেবার উদাহরন হিসাবে ব্যাংকের কথার দিকে আসি, যেই ব্যাংক গুলো রাষ্ট্রয়াত্ত সরকারি ব্যাংক র্অথাৎ জনতা, সোনালী, অগ্রনী ও রুপালী ব্যাংক. আমারা সবাই জানি এই ব্যাংক গুলো মুলধন কেলেংকারীর কথা. ব্যাংক ব্যবসায় এই ব্যাংক গুলো যে কতটা লাভ করছে তাও আমরা জানি আর বুঝতেও পারি. ব্যাংক ব্যবসায় এই ব্যাংক গুলো বছরের পর বছর র্পযায়ক্রমে শুধু লজ/ক্ষতি করেই চলছে, যেন ব্যাংক গুলোর লজ করা ধারাবাহিকতায় পরিনত হয়েছে, আর গ্রাহকদের সেবা প্রদানের কথা ভেবে দেখেন, তাদের আচরন আর কথা র্বাতা শুনলো তো মনে হয় যে সরকার তাদেরকে চাকুরী দেয়নি, তারাই সরকারকে চাকুরী দিয়েছে। বিপরীতে বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কথা ভাবেন কত সুন্দর তাদের গ্রাহকদের সেবা প্রদানের মান. ব্যাংক গুলো বছরের পর বছর ব্যাংকের ও গ্রাহকদের উন্নয়ন ও লাভ করেই চলছে, ইতিহাস বিরল যে ব্যাংক ব্যবসায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো লজ করছে. আমি একদিন ইসলামি ব্যাংকে গিয়েছিলাম নতুন একাউন্ট চালু করার সিসেস্টম র্সম্পকে জানার জন্য, ম্যানেজার নিজেই তার রুমে আমাকে ডেকে নিয়ে অনেক সুন্দর আচরনে বিষয় গুলো বুঝিয়ে দিলেন. আর মনে মনে ভাবলাম তাদের গ্রাহকদের সেবার কথা.মুদ্ধ হয়ে ফিরলাম আর ভাবলাম যে গুলো সরকারি প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন করতে পারেনা বা পারচ্ছে না সেগুলোর পরিচালনা পাবলিকের হাতে দেওয়া উচিৎ. তাহলে হয়তে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্যিইকার র্অথেই বৃদ্ধি হবে বলে আমি মনে করছি। কথা কি ভাবে আর বর্ননা করা যায়. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালের অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে অর্নাস, ডিগ্রী, প্রিভিয়াস মার্ষ্টাস, মার্ষ্টাস সহ সব কোর্স এর র্ভতি ফরম পুরন করা হয় এই ওয়েব সাইটের ফিকুয়েনছি এতটাই নিন্ম মানের যে ওই ওয়েব সাইটের সার্ভারই ঠিক ভাবে কাজ করে না আর ঠিক ভাবে লাইনও পাওয়া যায় না। একটা ফরম পুরন করতে সময় লাগে প্রায় ৩-৪ ঘন্টা বা কখন কখন অনিশ্চিত থাকতে হয় যে আজ সারা দিন মিলে ফরমটা পুরন হবে কিনা. র্সাভারের অবস্থা যদি এই হয় তাহলে সরকার কিভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশন দেয়। সরকারি সেবার উদাহরন হিসাবে ব্যাংকের কথার দিকে আসি, যেই ব্যাংক গুলো রাষ্ট্রয়াত্ত সরকারি ব্যাংক র্অথাৎ জনতা, সোনালী, অগ্রনী ও রুপালী ব্যাংক. আমারা সবাই জানি এই ব্যাংক গুলো মুলধন কেলেংকারীর কথা. ব্যাংক ব্যবসায় এই ব্যাংক গুলো যে কতটা লাভ করছে তাও আমরা জানি আর বুঝতেও পারি. ব্যাংক ব্যবসায় এই ব্যাংক গুলো বছরের পর বছর র্পযায়ক্রমে শুধু লজ/ক্ষতি করেই চলছে, যেন ব্যাংক গুলোর লজ করা ধারাবাহিকতায় পরিনত হয়েছে, আর গ্রাহকদের সেবা প্রদানের কথা ভেবে দেখেন, তাদের আচরন আর কথা র্বাতা শুনলো তো মনে হয় যে সরকার তাদেরকে চাকুরী দেয়নি, তারাই সরকারকে চাকুরী দিয়েছে। বিপরীতে বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কথা ভাবেন কত সুন্দর তাদের গ্রাহকদের সেবা প্রদানের মান. ব্যাংক গুলো বছরের পর বছর ব্যাংকের ও গ্রাহকদের উন্নয়ন ও লাভ করেই চলছে, ইতিহাস বিরল যে ব্যাংক ব্যবসায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো লজ করছে. আমি একদিন ইসলামি ব্যাংকে গিয়েছিলাম নতুন একাউন্ট চালু করার সিসেস্টম র্সম্পকে জানার জন্য, ম্যানেজার নিজেই তার রুমে আমাকে ডেকে নিয়ে অনেক সুন্দর আচরনে বিষয় গুলো বুঝিয়ে দিলেন. আর মনে মনে ভাবলাম তাদের গ্রাহকদের সেবার কথা.মুদ্ধ হয়ে ফিরলাম আর ভাবলাম যে গুলো সরকারি প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন করতে পারেনা বা পারচ্ছে না সেগুলোর পরিচালনা পাবলিকের হাতে দেওয়া উচিৎ. তাহলে হয়তে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্যিইকার র্অথেই বৃদ্ধি হবে বলে আমি মনে করছি।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চন্দ্রপ্রভা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জগন্নাথবাসীগণ, আমার কথা শুনছেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

জগন্নাথবাসীগণ,
আপনাদের গরু কোরবানি যদি হযরত জাবের (রাঃ)-এর মতো
নবীজীর সম্মানে হয়ে থাকে, তাহলে মোবারকবাদ।
আর, শুধু প্রতিবাদ দেখাতে একটি অবলা পশুকে হত্যা করে থাকলে,
তার জন্যে খোদার দরবারে বিচার দিলাম।
...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×