বাংলাদেশে বিদেশিদের ব্ল্যাকলিস্টের বিষয়টি সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। ২০১৭ সাল থেকে ৪৭৯ জন বিদেশিকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই চীন ও ভারতের নাগরিক। এই ব্ল্যাকলিস্টের পেছনে ভিসা নীতিমালা ভঙ্গ, অবৈধভাবে কাজ করা, ট্যাক্স ফাঁকি, মাদক ব্যবসা এবং মানব পাচারের মতো অপরাধ জড়িত। এই ব্লগ পোস্টে আমরা বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করবো এই বিষয়টিকে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করবো।
ব্ল্যাকলিস্টে কেন?
ভিসা নীতিমালা ভঙ্গ
অবৈধভাবে কাজ করা
ট্যাক্স ফাঁকি
মাদক ব্যবসা
মানব পাচার
কোন দেশের নাগরিক বেশি?
চীন ও ভারতের নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি ব্ল্যাকলিস্টে রয়েছে।
নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও নাইজেরিয়া থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোককে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে।
বাংলাদেশে বিদেশিরা কোথায় কাজ করেন?
তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাত
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প
বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান
বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
আন্তর্জাতিক এনজিও
চামড়া শিল্প
চিকিৎসা সেবা
হোটেল ও রেস্তোরাঁ
বাংলাদেশে অবৈধ বিদেশির সংখ্যা:
চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৯৭টি দেশের ১৩ হাজার ৫৭১ জন নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।
কাগজে-কলমে ভারতীয়দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
তবে কাগজপত্রের বাইরে কয়েক লাখ বিদেশি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বলে অনুমান করা হয়।
ভিসা নীতিমালায় দুর্বলতা:
২০১৯ সালে নতুন ভিসা নীতিমালা তৈরি হলেও তা কার্যকর করা হয়নি।
ভিসার শ্রেণি পরিবর্তনের সুযোগ থাকায় অনেকে ভিসা নীতিমালা ভঙ্গ করছেন।
ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও অনেকে নিচ্ছেন।
কালো তালিকাভুক্ত বিদেশিদেরও নতুন পাসপোর্ট করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে।
সম্ভাব্য প্রভাব:
দেশের নিরাপত্তা: অবৈধ বিদেশিরা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
অর্থনীতি: অবৈধভাবে কাজ করা বিদেশিরা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন।
দেশের ইমেজ: এই ধরনের ঘটনা দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন করতে পারে।
বাংলাদেশে বিদেশিদের ব্ল্যাকলিস্টের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারকে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ভিসা নীতিমালা আরও শক্তিশালী করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় হতে হবে। একই সাথে, বিদেশিদের সহযোগিতাও প্রয়োজন। তাদেরকে বাংলাদেশের আইন মেনে চলতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

