somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গোয়েবলসীও নীতি কতটা ধ্বংসাত্মক?

১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে পুরোদমে। ফুয়েরার হিটলারের বিজয় ঢঙ্কা বাজছে চারদিকে। থার্ড রাইখ দুমড়ে মুচড়ে ফেলছে চারদিক।
গোপন সূত্রে সংবাদ এল, তিনজন জেনারেল ফুয়েরারের আদেশ মানছে না। সাথে সাথে গ্রেফতার করা হলো। ফুয়েরার (হিটলার) সিদ্ধান্ত নিলেন এই তিন বিদ্রোহীর শাস্তিটা একটু ব্যতিক্রমভাবে দিবেন।
তিন জেনারেলকেই একসাথে রাখা হয়েছে। নির্জন কুঠুরিতে ক্লাসিক মিউজিক চালিয়ে দেয়া হলো। ভেন্টিলেটার দিয়ে একটা চিকন নল সেলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া হলো। সেখান দিয়ে টপটপ করে ফোঁটা ফোঁটা পানির মতো একটা পদার্থ ঝরছে অনবরত।
.
ঘোষণা দেয়া হলো, পাইপ দিয়ে বিষাক্ত গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ছয় ঘণ্টার মধ্যে তাদের মৃত্যু ঘটবে। ঘোষণার পরপরই দেখা গেল জেনারেলদের কপাল ঘর্মাক্ত হয়ে উঠলো। তারা কাশতে শুরু করলো।
.
চার ঘণ্টা পর ডিউটিরত অফিসার গিয়ে দেখল দুই জেনারেল ইতিমধ্যে মরে গেছে। আরেক জন ধুঁকছে। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার উপক্রম।
.
অফিসার বললেন:
-তুমি এমন করছো কেন?
-বিষের প্রভাবে?
-বিষ কোথায়? এটাতো সাধারণ পানির নল। ওটা দিয়ে এতক্ষণ পানি ঝরছিল। বিষটিষ সব মিথ্যা।
.
জেনারেলদেরকে আসলে তাদের মাথার চিন্তাই মেরেছে। তারাই পানিকে বিষ ভেবে, নিজের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিষের প্রভাব সৃষ্টি হতে দিয়েছে। হরমোন বের হতে দিয়েছে। মন আস্তে আস্তে মরার জন্যে শরীরকে প্রস্তুত করেছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শরীরে নেতিবাচক প্রভাব তৈরী করেছে।
.
ঠিক এমনটাই করছে প্রচারমাধ্যম। মুসলমানদের সাথে। প্রতিদিনই তারা আমাদের চেতনাবিনাশী তথ্য ছাড়ছে। ঘুমপাড়ানি গান শোনাচ্ছে।
.
আমরা তাদের দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে নিজেদের সম্পর্কে ভাবছি। সেটাকে সত্য বলে ধরে নিচ্ছি। আমাদেরকে হত্যা করছি। মানসিকভাবে পঙ্গু করছি।
.
এমন ধ্বংসাত্মক কিছু চিন্তা হলো:
= ইসরাঈল বিশ্বের প্রথম সারির শক্তিধর একটা রাষ্ট্র।
= আমরা পশ্চিম থেকে শত বছর পিছিয়ে আছি। পাশ্চাত্যকে ধরতে আমাদের বহু বছর লেগে যাবে।
= পশ্চিমা সভ্যতাই হলো আদর্শ সভ্যতা।
= আরব ও মুসলিম যুব সমাজ অনর্থক কাজেকর্মে সময় নষ্ট করছে। তাদের দিয়ে কিছু হবে না। আশা করাও ভুল।
= আমরা কোন নতুন কিছু আবিষ্কার করতে সক্ষম নই।
= মুসলিম উম্মাহ এখন বিক্ষিপ্ত-ছত্রভঙ্গ। তারা গন্তব্যহীন পথ চলছে।
.
তারা আমাদেরকে এসব সংবাদ গেলাচ্ছে, আমরাও পরম বিশ্বাসে গিলছি। বাস্তবতার খোঁজ আর করছি না।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৪১
১১টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×