Another day another dream but it's still you
like a vision of dream that seems to be true
আজকের এই বিষন্ন পরিবেশে সুরটা বেমানান। তবুও আশ্চর্যভাবে মিলে যাচ্ছে সবকিছুর সাথে। এই গানটা সায়ন আমাকে একবার টেলিফোনে শুনিয়েছিল। সায়ন! না থেকেও এত বেশী কাছে!
শেষের দিকে ও আর আমার সাথে কথা বলতে চাইতোনা। কোন না কোন ছুতায় ফোন রেখে দিত ঠিক। তখন আগের সায়নের সাথে ওকে মেলাতে পারতাম না। এক সময় আমরা কথা বলে সারারাত্রি পার করেছি। এক সময়ের সায়ন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতো কখন আমি তার কাছে যাব। আজ ওর সব কথা ফুরিয়ে গেছে, আমাকে বলার মতন আর কিছু নেই। আর কষ্ট পাই না আমি, ধরে রাখার চেষ্টাও করি না । আমার সে শক্তি নেই।
ভাবতে বড় অবাক লাগে মাঝেমাঝে। কতটা পথ চলে এসেছি এভাবে হাঁটতে হাঁটতেই তো। চারদিকে গত জন্মের কোন সৌরভ মিশে আছে। অনেক ছোটবেলায় হালকা কুয়াশাঘেরা সকালে আব্বার হাত ধরে শিউলি কুড়াতে বের হতাম। নিজেকে যে কি প্রচন্ড সুখী আর নিরাপদ মনে হতো সে সময়। সেই প্রচন্ড শীতের মধ্যেও আব্বার হাতটা সবসময় গরম থাকতো। অন্যরকম একটা অনুভুতিতে মনটা ভরে যেত, তখন বুঝতাম না, এখন জানি, তার নাম পরিপূর্ণতা। তখন সুখের কাঙাল ছিলাম না। একটু আনন্দের জন্য ঘুরে বেড়াতাম না বিশ্বময়। তাই তারা আমাকে ঘিরে থাকতো। ছোট ছোট আনন্দের শূণ্যতাহীন মুহুর্ত। হাতের মুঠোয় ধরে রাখা সাদা কমলায় মেলানো অদ্ভুত রঙের শিউলি ফুল, শূণ্য হাতের পাতায়ও রেখে যায় মিষ্টি কোন সেীরভ। তাতে শূণ্যতাই আরো তীব্র হয়ে বাজে। আনন্দের সুরও আমার কানে ধরা দেয় বিষন্নতার আর্তি নিয়ে।
প্রকাশ: পরবাস
ছবি: সাহিদুর রহমান

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


