রেডিও টুডে ও রেডিও ফূর্তি ঢাকায় বাণিজ্যিকভাবে তাদের এফ এম সম্প্রচার চালু করেছে। ইতিমধ্যে অভিযোগ উঠেছে- এই দুই রেডিও চ্যানেলের আর জে (রেডিও জকি) দের বাংলা উচ্চারণে বিকৃতি বা ত্রুটি রয়েছে। এর আগে 1999 সালে রেডিও মেট্রোওয়েভ এই নতুন ধরনের উপস্থাপনার সূচনা করেছিল। তখন তা প্রশংসিত হলেও বর্তমান তরুণ-তরুণীদের এই উপস্থাপনার ক্ষেত্রে শ্রোতাদের অভিযোগ রয়েছে। আর জে'রা উপস্থাপনায় অতিরিক্ত স্মার্টনেস দেখাতে গিয়ে যথাযথ বাংলা উচ্চারণের দিকে নজর দিচ্ছে না।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে রেডিও টুডে'র নির্বাহী পরিচালক শাকিল মঞ্জুর বলেন- বাংলা উচ্চারণের ত্রুটি বা বিকৃতির সমর্থক নই আমরা কেউই। ভাষার বিকৃতি ঘটানোর স্পর্ধা আমাদের কারও নেই। তাই ভাষা বা তার উচ্চারণ নিয়ে রেডিও টুডে'র রেডিও জকি অমর্যাদাকর কোন কাজ করছে বলে আমরা মনে করি না। তবে যদি অভিযোগ উঠে- আমরা ইংরেজি শব্দের ব্যবহার বেশি করি কেন? জবাবে আমরা বলবো- আন্তর্জাতিকভাবে এফ এম রেডিও'র ক্ষেত্রে ইংরেজী শব্দের ব্যবহারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভাষা সবখানেই প্রাধান্য পায়। তাই আমরাও ইংরেজিটা সর্বস্তরের শ্রোতার সামনে সহজভাবে উপস্থাপন করতে চাই। যাতে করে মাতৃভাষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভাষার উপস্থাপন প্রক্রিয়াটা সবার কাছে সহজ হয়ে আসে।
এদিকে রেডিও ফূর্তির নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ কবির বলেন- এখনকার যুব সমাজ তাদের চলন, বলনে যে ধারাটা উপস্থাপন করে সেটাই রেডিও ফূর্তি গ্রহণ করেছে। টিভি থেকে শুরু করে সংস্কৃতি অঙ্গনে সব ক্ষেত্রে উপস্থাপনায় একটা নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এসবই সময়ের চাহিদা। সে হিসেবে সময় ভাষার গতিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছে বলা যায়। এ প্রজন্মের সঙ্গে আগের প্রজন্মের মিল-অমিল কিছু তো থাকবেই। এ বিষয়ে কেউ খুশি হয় কেউ হয় না।
অনেক শ্রোতা মনে করেন- উপস্থাপনায় নতুনত্বের পাশাপাশি উচ্চারণ বিষয়ে আরজে'দের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




