ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষার অভাব ও বিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষকদের অনুপাত আগের চেয়ে অনেক কম: এ ব্যাপারে একজন হিন্দু শিক্ষীকা বলেছেন আমরা ছাত্রছাত্রীদেরকে নামাজ পড়তে যথেষ্ট শিক্ষা দিয়ে থাকি! কিন্তু আসলে নৈতিক শিক্ষা মানে নামায নয় আর সেটা শুধু মুসলিম ছাত্রদের দরকার তাও নয় এটা সকল ধর্মের ছাত্রছাত্রীদেরই দরকার। মুসলমানের ছেলেরা যে নৈতিক মূল্যবোদ শিক্ষা পাওয়া উচিত সেটা শেখানোর অবদান নিশ্চই মুসলিম শিক্ষকদের বেশী। এখন আমি মুসলিম হিসেবে বলবো আমার ধর্মে নৈতিকতা কিভাবে অর্জন করতে হবে সেটা খুব সুন্দর ভাবেই বলা আছে। আর এই ব্যাপারে নিশ্চই আপনি একমত হবেন যে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে একজন অমুসলমান থেকে একজন মুসলমান বেশী জানে। তাই এখানে বলা হচ্ছে মুসলিম শিক্ষকদের সংখ্যা কম কিন্তু এটা বলা হচ্ছেনা যে হিন্দু শিক্ষকদের দরকার নাই। বরং সবারই দরকার আছে আপনি আপনার ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষা আপনার ধর্মের ছাত্রদের দিবেন কারন তাদেরও নৈতিকতা অর্জনের প্রয়োজন আছে। এখন যদি একজন মুসলমান টিচার কোন হিন্দু ছাত্রকে নৈতিকতা শেখাতে যায় সে নিশ্চই আপনার মত করে শেখাতে পারবেনা। কারন মুসলমান টিচারের হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে নিশ্চই একজন হিন্দু টিচারের ছেয়ে কম জানা থাকা স্বাভাবিক। তাই আমি বলবো আনুপাতিক হারে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল ধর্মের টিচার প্রয়োজন। আমরা দেখি এখনকার ছাত্ররা গুরুজনদের দেখলে সালাম পর্যন্ত দেয়না সন্মানতো অনেক দূর, আরো কত রকম বেয়াদবি যা রাস্তায় বের হলে দেখা যায়।আমরা আরো দেখতে পাই পঞ্চম শ্রেনী পাশ করার পর থেকেই শুরু হয় ছাত্রদের দলবাজি, বিড়ি খাওয়া, নেশা করা, মারামারি করা ইত্যাদি। এর পর আরো দেখি আমরা পরপর দূর্নিতীতে কয়েকবার শ্রেষ্ঠ। এখন বলেন যারা দূর্নিতী করেছে তারাকি সব অশিক্ষিত? না এরা সবাই উচ্চ শিক্ষিত। আবার আমরা দেখতে পাই ছেলে মেয়ে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে পিতা মাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠায় কখনো কখনো তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। তাহলে বলুন এরা শিক্ষা জীবনে কি শিক্ষা লাভ করেছে যা তাদেরকে দূর্নিতী থেকে বিরত থাকতে দেয়নি? সেই শিক্ষা তাদেরকে বাবা মার সাথে ভাল ব্যবহার করা সেখায়নি। একজন বাবাই ভাল জানেন একজন সন্তানকে উচ্চ শিক্ষিত করতে তার কত মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে আর যখন তার বিনিময় হয় বৃদ্ধাশ্রম তখন নিশ্চই আপনি ভাববেন এর চেয়ে অশিক্ষিত সন্তানই ভালো। এর মূল কারন হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে নৈতিক শিক্ষা উঠে গেছে আর নৈতিক শিক্ষার সবছেয়ে বড় উৎস হচ্ছে ধর্মীয় শিক্ষা তাই প্রচলিত শিক্ষার ভেতরে ধর্মীয় শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অপিরিসীম।: এ ব্যাপারে একজন হিন্দু শিক্ষীকা বলেছেন আমরা ছাত্রছাত্রীদেরকে নামাজ পড়তে যথেষ্ট শিক্ষা দিয়ে থাকি! কিন্তু আসলে নৈতিক শিক্ষা মানে নামায নয় আর সেটা শুধু মুসলিম ছাত্রদের দরকার তাও নয় এটা সকল ধর্মের ছাত্রছাত্রীদেরই দরকার। মুসলমানের ছেলেরা যে নৈতিক মূল্যবাদ শিক্ষা পাওয়া উচিত সেটা শেখানোর অবদান নিশ্চই মুসলিম শিক্ষকদের বেশী। এখন আমি মুসলিম হিসেবে বলবো আমার ধর্মে নৈতিকতা কিভাবে অর্জন করতে হবে সেটা খুব সুন্দর ভাবেই বলা আছে। আর এই ব্যাপারে নিশ্চই আপনি একমত হবেন যে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে একজন অমুসলমান থেকে একজন মুসলমান বেশী জানে। তাই এখানে বলা হচ্ছে মুসলিম শিক্ষকদের সংখ্যা কম কিন্তু এটা বলা হচ্ছেনা যে হিন্দু শিক্ষকদের দরকার নাই। বরং সবারই দরকার আছে আপনি আপনার ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষা আপনার ধর্মের ছাত্রদের দিবেন কারন তাদেরও নৈতিকতা অর্জনের প্রয়োজন আছে। এখন যদি একজন মুসলমান টিচার কোন হিন্দু ছাত্রকে নৈতিকতা শেখাতে যায় সে নিশ্চই আপনার মত করে শেখাতে পারবেনা। কারন মুসলমান টিচারের হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে নিশ্চই একজন হিন্দু টিচারের ছেয়ে কম জানা থাকা স্বাভাবিক। তাই আমি বলবো আনুপাতিক হারে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল ধর্মের টিচার প্রয়োজন। আমরা দেখি এখনকার ছাত্ররা গুরুজনদের দেখলে সালাম পর্যন্ত দেয়না সন্মানতো অনেক দূর, আরো কত রকম বেয়াদবি যা রাস্তায় বের হলে দেখা যায়।আমরা আরো দেখতে পাই পঞ্চম শ্রেনী পাশ করার পর থেকেই শুরু হয় ছাত্রদের দলবাজি, বিড়ি খাওয়া, নেশা করা, মারামারি করা ইত্যাদি। এর পর আরো দেখি আমরা পরপর দূর্নিতীতে কয়েকবার শ্রেষ্ঠ। এখন বলেন যারা দূর্নিতী করেছে তারাকি সব অশিক্ষিত? না এরা সবাই উচ্চ শিক্ষিত। আবার আমরা দেখতে পাই ছেলে মেয়ে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে পিতা মাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠায় কখনো কখনো তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। তাহলে বলুন এরা শিক্ষা জীবনে কি শিক্ষা লাভ করেছে যেই শিক্ষা তাদেরকে দূর্নিতী থেকে বিরত থাকতে দেয়নি? সেই শিক্ষা তাদেরকে বাবা মার সাথে ভাল ব্যবহার করা সেখায়নি। একজন বাবাই ভাল জানেন একজন সন্তানকে উচ্চ শিক্ষিত করতে তার কত মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে আর যখন তার বিনিময় হয় বৃদ্ধাশ্রম তখন নিশ্চই আপনি ভাববেন এর চেয়ে অশিক্ষিত সন্তানই ভালো। এর মূল কারন হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে নৈতিক শিক্ষা উঠে গেছে আর নৈতিক শিক্ষার সবছেয়ে বড় উৎস হচ্ছে ধর্মীয় শিক্ষা তাই প্রচলিত শিক্ষার ভেতরে ধর্মীয় শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অপিরিসীম।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



