ওলীমা বা বউভাত
* বাসর হবার পর তিনদিনের মধ্যে বা আকদের সময় বন্ধু-বান্ধব, আত্বীয়-স্বজন এবং গরীব মিসকীনদের ওলীমা বা বউভাত খাওয়ানো সুন্নত ৷
* ওলীমা খাওয়ানো পাত্রপক্ষের জন্য সুন্নাত ৷ পাত্রীপক্ষের খাওয়ানো সুন্নত না ৷ আকদ হবার আগে বা পরে পাত্রীপক্ষ খাওয়াতে পারে তবে তা ওলীমা হিসেবে গণ্য হবে না ৷ এটা আমাদের দেশের সামাজিক রীতি, সুন্নাত না ৷
* ওলীমায় অতিরিক্ত ব্যয় করা কিংবা খুব উচু মানের খাবারের ব্যবস্থা করা জরুরি না বরং সামর্থানুযায়ী খরচ করাই সুন্নাত আদায়ের জন্য যথেষ্ট ৷
* যে ওলীমায় শুধু লোক দেখানোর জন্য ও দুনিয়াদার, ধনী লোকদের দাওয়াত করা হয় এবং দ্বীনদার ও গরীব মিসকিনদের দাওয়াত করা হয় না, হাদিসের বর্ননা অনুসারে তা হল সর্ব নিকৃষ্ট ওলীমা ৷
* ওলীমার দাওয়াত গ্রহন করাও সুন্নাত ৷
* ওলীমায় অনেকেই উপহারের আশা করেন ৷ আবার অনেকে নিজের স্ট্যাটাস বাড়ানোর জন্য দামী উপহার দিয়ে থাকে ৷ অনেকে খাবারের দামের সাথে উপহারের দামের সমন্বয়ের কথা ভাবেন ৷ ইসলামে এসবের স্থান নাই ৷ ওলীমা খাওয়ানোর বিপরীতে যেমন উপহারের আশা করা যাবে না, তেমনি নাম যশের জন্যও উপহার দেয়া যাবে না ৷ এ দুটো কাজই করতে হবে কোন কিছুর আশা না করে ৷ এইও দেখা যায়, উপহার না দিতে পারার কারনে ওলীমা খেতেই যায় না ৷ যদিও ওলীমার দাওয়াত কবুল করা সুন্নাত ৷ আপনার যদি সামর্থ্য না থাকে তবে উপহার দিয়েন না, আপনি ওলীমার দাওয়াত গ্রহন করে সুন্নাত আদায় করছেন - এটাই ওলীমাদাতার দাম্পত্য জীবন সুখী রাখতে সাহায্য করবে ৷
অনেকেই এ জাতীয় ঝামেলা এড়াতে দাওয়াত দেবার সময় উপহার আনতে বারণ করে দেন ৷ এটা উত্তম একটা পন্থা ৷ যা আমি (মাহাদী হাসান) অবলম্বন করব ইনশাআল্লাহ ৷ মানে যাদের আমার বউভাতে আসবেন তাদের জন্য উপহার নিয়ে আসা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ৷

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



