শক্তির কবিতা অসম্ভব ভালো লাগে আমার। 97 এর এক সন্ধ্যায় ধুপ করে কিনে ফেলেছিলাম শক্তির কাব্য সমগ্র। ভদ্রলোক প্রচুর লিখেছেন । কবিতাগুলোয় আমি কেবল অবগাহন করি আর বাহ বাহ করে উঠি।
'যেতে পারি, কিন্তু কেন যাবো?' কবিতাটি আমার ইনসপিরেশনাল কবিতা মনে হয়েছে। একজন মাঝবয়সী হঠাৎ করে আবিষ্কার করলেন যে তিনি চাইলেই ওপারে যেতে পারেন - সবকিছু ছেড়েছুড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আত্মবোধন - ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো। অসাধারন সহজিয়া কথন।
[গাঢ়]যেতে পারি, কিন্তু কেন যাবো?[/গাঢ়]
[ইটালিক]শক্তি চট্টোপাধ্যায়[/ইটালিক]
ভাবছি, ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো ।
এত কালো মেখেছি দু হাতে
এত কাল ধরে!
কখনো তোমার করে, তোমাকে ভাবিনি।
এখন খাদের পাশে রাত্তিরে দাঁড়ালে
চাঁদ ডাকে : আয় আয় আয়
এখন গঙ্গার তীরে ঘুমন্ত দাঁড়ালে
চিতাকাঠ ডাকে : আয় আয়
যেতে পারি
যে-কোনো দিকেই আমি চলে যেতে পারি
কিন্তু, কেন যাবো?
সন্তানের মুখ ধরে একটি চুমো খাবো
যাবো
কিন্তু, এখনি যাবো না
তোমাদের সঙ্গে নিয়ে যাবো
একাকী যাবো না, অসময়ে ।।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



