কি আছে গানটায়? "How many roads must a man walk down before you can call him a man?" কড়া দক্ষিনের উচ্চারনে গাওয়া গানটিতে একুয়্যাস্টিকের টুংটাং আর হারমোনিকার প্যাঁপো ছাড়া বিশেষ কোন বাদ্যযন্ত্রও নেই। অথচ কি অসাধারন রিনরিনে অনুভুতি ছড়িয়ে দেয় মনে, কি অদ্ভুত সাহস জোগায়। মনে হয় করে ফেলতে পারি যে কোন কিছু। ঠিক এই জায়গাটিতে এসে একটি শিল্প অমর হয়ে যায়, আপন সময়কে ছাড়িয়ে যায় খুব সহজে। যমুনা নদীতীরে দাঁড়িয়ে সম্রাট শাহাজাহান কি কখনও ভেবেছিলেন তাজমহল ছাড়িয়ে যাবে তাকেও? হয়ে উঠবে বিশ্বব্যাপী একটি অনুপ্রেরনার প্রতীক?
হাতে গোনা এই গোটাকতক মানুষ ছাড়া আমরা সবাই আসলে মাতৃহন্তারক। পৃথিবীকে কিছু না দিতে পেরেছি তাতে কি? পৃথিবী থেকে কিছু নিতে ছাড়ি না। তাজমহলের মত একটা ভালোবাসা ও অনুপ্রেরনার প্রতীকও হার মানতে বাধ্য হয়েছে মানুষের লোভের কাছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন দুখ: করে বলেই বসেছেন, সাড়ে তিনশ বছরের যুদ্ধ, হানাহানি, এবং প্রাকৃতিক দুযের্াগ যা করতে পারেনি, পরিবেশ দূষণ সেটা করে দেখিয়েছে। তাজমহলের অসাধারন দেয়ালগুলোতে বসিয়েছে তার মরন কামড়।
গত দুদশকে ভারতের সবচেয়ে বড় এই টুরিষ্ট আর্কষন আগ্রার তাজমহল দুষনের কবলে পড়েই বারবার সবার আলোচনায় উঠে এসেছে। বিষেশজ্ঞেরা অনেকবার সাবধান করেছেন, যে পরিবেশ দূষণে কিন্তু ক্ষয়ে যাচ্ছে সৃত্মি স্তম্ভগুলো এবং রংহীন হয়ে পড়ছে একদা সফেদ মার্বেলের দেয়াল। এর সমাধান হিসেবে তাজ ট্রাপেজিয়াম জোন বা তাজমহল এবং এর তৎসংলগ্ন এলাকার 10,400 বর্গএকক জুড়ে যে সমস্ত কারখানা আছে সেগুলো বন্ধ করতে হবে। আবার এই এলাকার মধ্যেই পড়ে আগ্রার কেল্লা আর ফতেহপুর সিকরী। প্রশ্ন হচ্ছে কোনটা বেশী গুরুতত্দপূর্ণ, তাজমহল নাকি কারখানাগুলোতে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিক? সমস্যাটা এতটাই জটিল যে তার সমাধানে ছুটতে হয়েছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। দোষী হিসেবে সাবস্ত্য করা হয়েছে মাথুরা রিফাইনারী, লৌহ ফাউন্ড্রি, গ্লাস কারখানা, ইটের ভাঁটা এবং আরও যেটা না বললেই না - হাইওয়ে ধরে চলাচল কারী ট্রাফিকের নিরবিচ্ছিন্ন স্রোত। এমনকি প্রায়ই দেখা গেছে স্ট্যার্ন্ডাড লেভেলের দশ গুন বেশী সালফার-ডাই-অঙ্াইড বাতাসে বিদ্যমান। অঙ্েিজন এবং জলীয় বাষ্পের সাথে মিশে সালফার-ডাই-অঙ্াইড মার্বেলের দেয়ালগুলোর ওপর গিয়ে বাসা বাঁধে এবং জন্ম দেয় একজাতীয় ছত্রাকের - যাকে বিশেষজ্ঞরা আখ্যায়িত করে থাকেন "মার্বেলের ক্যান্সার" হিসেবে।
দুষন কে দোষী করে এবং তাজমহলের প্রতি অবহেলার প্রতি আঙ্গুল তুলে মাহেশ চন্দ্র মেহতা নামের পরিবেশবাদী আইনজীবী 1984 সালে সুপ্রীম কের্াটে একটি কেস দাখিল করেন। তিনি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন যে সাদা মার্বেলের জায়গায় জায়গায় কালো হয়ে গিয়েছে, আর ভেতরের মনুমেন্টটা ছাতা পড়ে ক্ষয়ে যেতে শুরু করেছে। বিশেষ করে ভেতরের যে জায়গাটায় সম্রাট শাহ-জাহান এবং তাঁর স্ত্রী মুমতাজ মহলের আসল কবরটা রয়েছে সে জায়গাটার অবস্থা বেশ খারাপ। মেহতা কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন কারখানাকে দুষনমুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে বা একেবারে বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন। তিনি এমনকি এও দেখিয়েছিলেন যে সেই দূষন সেখানকার শ্রমিক ও সাধারন নাগরিকের স্বাস্থ্যের জন্যও ভাল নয়।
[গাঢ়]গ্যাস ব্যবহারে আইন[/গাঢ়]
শেষ পর্যন্ত 1996 সাল নাগাদ ভারতের সুপ্রীম কোর্ট এই মর্মে রুল জারি করে যে উক্ত এলাকায় কারখানাগুলো সত্যি সত্যি বায়ু দুষনে জড়িত এবং প্রধান কারখানাগুলোকে অতিসত্ত্বর দুষন রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোর্ট অর্ডারের ভাষ্যে - ুNot even a one per cent chance can be taken when
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


