বিভিন্ন লেখকের লেখার ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা এক্সপ্লোর করার জন্য এই সিরিজটির যাত্রা। একেকজন হয়ত একই লেখকের লেখায় ভিন্ন ভিন্ন বিষয় খুঁজে পান। অন্যান্য পাঠকরা সেটা জানলে তারাও ব্যাপারগুলো লক্ষ্য করতে পারবেন। অন্যদিকে, লেখকও সচেতন হবেন তার লেখার কোন দিক পাঠক দেখতে পাচ্ছে কোন দিক পাচ্ছে না। লেখনীকে করতে পারবে আরো ক্ষুরধার।
সামহোয়্যার ইন লেখালেখির দিক দিয়ে জার্মান প্রবাসীদের কাছে অনেক ঋনী। জার্মান প্রবাসী ধুসর গোধূলী তাদের একজন। তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সবার শালীর দিকে লোলুপ দৃষ্টি বাড়িয়ে দেয়া। ঠাট্টা বাদ দিয়ে যদি বলি, তাহলে তার লেখার প্রশংসা করতেই হয়। আমাদের প্রচুর দিয়েছেন তিনি। এর মাঝে হাজার দুয়ারীর সাথে যুক্ত হয়ে বাংলা লেখালেখি জগতে আরেকটি মাত্রা এনেছেন।
কেমন লাগে ধুসর গোধূলীর লেখা? কোন লেখাটি পড়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিয়েছেন? বেশী শালী শালী করে বলে মনে হয়? আর কোন দিকে তিনি লেখার হাত বাড়াতে পারেন বলে মনে করেন? হিউমারের মোড়কে চমক পেয়েছেন কখনও? ভবিষ্যতে কি করতে পারবেন বলে মনে করেন?
আলোচিত ব্লগ
বিশ্বরাজনীতি চলে স্বার্থের হিসেবে, আমরা চলি অন্ধ আবেগে

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে সহজলভ্য জিনিস হলো বিশ্লেষণ। চাল, ডাল কিংবা তেলের দাম নিয়ে যতই হাহাকার থাকুক, ভূরাজনীতি নিয়ে জ্ঞানের কোনো অভাব নেই। চায়ের দোকানে বসে যিনি নিজের বাসার গ্যাস... ...বাকিটুকু পড়ুন
কিছুই ভাল্লাগে না আজ তবু সময় বয়ে যায়

কিছুই ভাল্লাগে না আজ
মানুষের মুখে মানুষেরই রক্তের গন্ধ লেগে আছে
শিশুর কান্না আকাশ ছুঁয়েও
কোনো ক্ষমতার প্রাসাদের জানালা কাঁপে না।
বাংলাদেশ জেগে থাকে
গ্যাসের অপ্রতুলতা, দ্রব্যমূল্যের দীর্ঘশ্বাস,
বেকার যুবকের অনিদ্রা,
আর প্রতিদিনের অগণিত অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির পাশে।
সংবাদপত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন
"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....
"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....
ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন
সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি
আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।