somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আব্বাস কিরোস্তামির ক্লোজ আপ

০৩ রা আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি এই ফিল্মটি। শুধু তৈরি নয়, শুটিং করার সময় অরিজিনাল ক্যারেক্টারগুলোকে দিয়ে নিজের নিজের ভূমিকায় অভিনয় করিয়েছেন ডিরেক্টর। তারপরও একে ডকুড্রামা বলতে নারাজ কিরোস্তামি।
একদিন বাসে করে ঘুরতে ঘুরতে পাশে বসা নারীর সঙ্গে পরিচয় হয় আলি সাবজাইনের। তখন মহসিন মাখমালবাভের একটি স্ক্রিপ্ট পড়ছিলেন তিনি। মধ্যবয়স্ক ওই সহযাত্রীকে তিনি বলেন যে তিনিই বিখ্যাত পরিচালক মহসিন মাখমালবভ এবং তাকে অটোগ্রাফসহ বইটি উপহার দেন। এই ঘটনার পর সহযাত্রীর সচ্ছল পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় আলির। মাখমালবভ পরিচয়ে তিনি তাদের বাড়িতে একটি সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা নেন। এবং বাড়ির সবাই তা বিশ্বাসও করে। বাড়ির ছেলেকে তিনি অভিনয়ে নেবেন বলে কথা দেন। এবং রিহার্সেল চালিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু কয়েকটি ছোট ছোট ঘটনায় তাদের সন্দেহ হয় যে ইনি আসল মাখমালবভ কিনা। তখন প্রতিবেশীর সহায়তায় এক সাংবাদিককে ডাকা হয়। তিনি সনাক্ত করেন যে ইনি আসল মাখমালবভ না। আলিকে পুলিশে দেওয়ার পর তার বিচার শুরু হয়। বিচারে বেরিয়ে আসে যে, পরিবারটিকে ঠকানো কিংবা প্রতারণা করার ইচ্ছা ছিলনা আলির। স্রেফ সিনেমাটিক ফ্যান্টাসির টান তেকে নিজেকে বিখ্যাত পরিচালকের ভূমিকায় দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। বিচার শেষে পরিবারটি তাকে ক্ষমা করে দিলে আলি আদালত থেকে বেরিয়ে আসে। দেখতে পায় আসল মাখমালবভ তাকে অভ্যর্থনা জানাতে এসেছে। মাখমালবভের মোটর সাইকেলের পেছনে করে আসল ও নকল দুজন ওই পরিবারের কাছে যায়। এবং সিনেমাটির একটি হ্যাপি এন্ডিং ঘটে।
কিরোস্তামি বলতে চান, সিনেমাকে গরীব মানুষের বড় একটি অংশ নিজেদের স্পিরিচুয়াল জগৎ বলে মনে করে। তাদের অবস্থানটি বোঝার জন্য এই সিনেমাটি তৈরি হয়েছে।
1990 সালে তৈরি হয়েছিল এই ছবিটি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছুটা আত্মকথন, কিছুটা স্মৃতিচারন আর আমার গানের ভুবন!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০১ লা জুন, ২০২০ সকাল ১১:৩৩




কোন একটা ক্রাইসিসে একেক মানুষ একেকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। কারন, ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সবার একরকমের হয় না। মানুষ হিসাবে আমি কেমন….…..দুর্বোধ্য নাকি সহজবোধ্য? প্রশ্নটা আমার নিজের কাছেই।

গত কয়েকদিন ধরে মাথায় ঘুরছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা-৭)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০০

বিভিন্ন সময়ের তোলা কিছু ছবি ।
১। পিটুনিয়া



কেমন আছেন সবাই? কেমন ছিলেন? বন্দিত্বের দিনগুলোতে। অনেক দিন গ্যাপ হয়ে গেলো পোস্ট দিচ্ছি না। বন্দি থেকে থেকে হয়রান হইতে হইতে অফিস করছি এখন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

খানসাব জানিলো কেমনে !!

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩৫


খানসাব জানিলো কেমনে!!
নূর মোহাম্মদ নূরু

ও মনু তাইলে তুমিও ছিলা ওদের দলে
বুঝছ এখন ক্যামনে তুমি পড়াছা যাতা কলে!
বারোটা সাঙ্গাত যখন উঠলা রাতের ট্রেনে
মতি গতি ভালোনা তা বুঝলো আামার ব্রেনে।

মজা করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকান সৌন্দর্য্য

লিখেছেন শের শায়রী, ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০৩



একেই বলে আমেরিকান সৌন্দর্য্য। সব খানে জর্জ ফ্লয়েডের কারনে আমেরিকায় শুধু মারামারি, হানাহানির ছবি খবর দেখে বিরক্ত। কারন এতে আমি নতুনত্ব কিছু খুজে পাই নাই। আমাদের দেশে এসব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ

লিখেছেন অনল চৌধুরী, ০১ লা জুন, ২০২০ রাত ১০:৪০



ইউরোপ-এ্যামেরিকায় প্রতিদিন মুসলমান-এশিয় ও আফ্রিকানদের উপর জঘন্য বর্ণবাদী আক্রমণ হয়।
এ্যমেরিকাতে এখনো কালোদের প্রায় ক্রীতদাসই ভাবা হয়।

তাদের প্রতি পুলিশের আচরণই তার প্রমাণ।পুলিশ তাদের যেকোনো সময়ে বিনা অপরাধে গ্রেফতার এমনকি হত্যাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×