বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়া বাইরের দেশগুলোর চিন্তা ও কৌতুহলের অন্ত নাই। ব্যাপারটা ভালই। যারা চিন্তা করে তাদের চিন্তা করাটা ঠিকই আছে বলে মনে করেন অনেকে। কারণ তারা দাতা দেশ বা দাতা সংস্থা। তারা যেহেতু টাকা দেয় সেই টাকা দিয়া আমারা বাজেট করি। ফলে তারা আমাদের ব্যাপারে চিন্তা করতেই পারে। কিন্তু তাদের চিন্তা-ভাবনা গতিপ্রকৃতি বোঝা কঠিন। কেউ আজকে বললো দুর্নীতিবাজদের ধরা ঠিকই আছে। কেউ বললো বেসরকারীকরণ ও বেচা বিক্রি তাড়াতাড়ি করেন। কেউ বললো তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। কেউ বাবরের সঙ্গে ডিনার খাইলো, কেউ জলিলের সঙ্গে নাস্তা করলো। ফলে একটা হিজিবিজি অবস্থা তৈরি হয়।
এখন আমরা যদি বলি, আমাদের ব্যাপারে তোমরা নাক গলাইও না। তাহলে কেউ শুনবে না। কারণ আমাদের জ্ঞানী, বিদ্যান, দুর্নীতিবাজ নির্বিশেষে সবাই বলতেছে ওনারা যা করতেছেন তা আমাদের জন্য ভাল ফল আনতেছে।
কিন্তু এই হিজিবিজি অবস্থা কেমনে দূর করা যায়?
এই বিষয়েই আমার নতুন আইডিয়া। দেশয়ি রাজনীতিতে বিদেশীদের চিন্তা-ভাবনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া যায়। বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ, সংস্থা ও ব্যাংকগুলার প্রতিনিধিদের নিয়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজারি কাউনসিল গঠন করা যাইতে পারে। এদের একটা নিজস্ব বডি থাকবে। সেখানে তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
এই অ্যাডভাইজারি কাউনসিলের প্রধান হবেন সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশের রাষ্ট্রদূত। তার পদের নাম হবে অনারারি ভাইসরয়। বর্তমানে এই পদ পাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।
দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী সমর্থিত একটি বিপ্লবী সুশীল সরকার এই বিষয়টা ভেবে দেখতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



