নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুর : কার জন্য কার লড়াই 3
২২ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
এনডিটিভির উই দি পিপল অনুষ্ঠানে মেধা পাটকর খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইসু্য তুলেছিলেন। ওইখানে উপস্থিত সিভিল সোসাইটির অনেকেই ছিলেন শিল্পায়নের প।ে তারা হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করছেন কিন্তু চাচ্ছেন আলাপ-আলোচনা ও সঠিক নীতির ভিত্তিতে শিল্পায়ন হোক। কিন্তু সেটা কিভাবে সম্ভব। পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশ যেখানেই একরের পর একর জমি নিয়ে কারখানা গড়ে তোলা হবে সেখানেই কৃষিজমি দখল করতে হবে। গ্রাম উচ্ছেদ করতে হবে। কৃষক জমি হারাবে, কাজ হারাবে, বিপন্ন হবে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তো আর কৃষকের জমি আর কারখানা একসাথে রাখা যাবে না। এটা সাংঘর্ষিক। পরস্পরবিরোধী বিষয়। ফলে, কারখানা তৈরি করতে হলে কৃষককে উচ্ছেদ হতেই হবে। কিন্তু কৃষক কেন কারখানার জন্য তার জমি ছাড়বে? রাষ্ট্রই বা কেন কৃষককে জমি ছাড়তে বাধ্য করবে? কৃষক যদি বোঝে কারখানায় তার কাজ মিলবে। এ জমি গেলেও অন্য জমিতে উৎপাদিত শস্যে তার পেট ভরবে। অথবা কারখানাটা কৃষিভিত্তিক তবে না সে কিছুটা আস্থা পাবে। কিন্তু মালটিন্যাশনালরা যে কারখানা তৈরি করতে উৎসাহী তাতে কর্মসংস্থান হবে না। উৎপাদিত পণ্যের সাথে স্থানীয় বাজারের সম্পর্ক থাকবে না। কাঁচামালও স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা হবে না। জমি উচ্ছেদ করে সুগার মিল বসালে এক কথা, মোটর গাড়ি স্থাপন করলে আরেক কথা। কিন্তু আমাদের মুর্খ কর্তারা সাবাইকে মুর্খ বানানোর জন্য বলতে থাকেন, বিনিয়োগ আসছে। কোন বিনিয়োগ কিসের বিনিয়োগ কী শর্ত, পরিবেশের ওপর প্রভাব কী কিচু নিয়ে আলোচনার দরকার নাই। টাটা আসছে জমি দাও। যা চায় তাই দাও। যে শর্তে চায় সে শর্তেই দাও। কেন?
টাটা আমাদের দেশেও বিনিয়োগ করবে। ভারতের কোম্পানি ন া হলে এতদিনে তারা গেড়ে বসতে পারতো। পারে নি তাতে কী? পারবে। পারানো হবে। সেেেত্র নন্দীগ্রামের অভিজ্ঞতা আমাদেরও কাজে লাগতে পারে।
মেধা পাটকর বলছিলেন, বজুজাতিক তোষণের শিল্পায়ন নীতিটা আসলেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা ছোট নৌকা, পাল তুলে, পাড়ি দিচ্ছে -
অন্তহীন তারার রাস্তা পেরিয়ে।
পেরোচ্ছে গ্রহ, ধূমকেতু, ছুটন্ত আগুনের টুকরো,
দূরে কোথাও ধাক্কা লাগে, তারপর শব্দটা মিলিয়ে যায়।
ধীরে, খুব ধীরে এগোয় নৌকা;
তবু এগোয়।
নৌকায়...
...বাকিটুকু পড়ুন
ব্লগে ১০ বছর পার করে দিলাম। কত সময় কেটে গেছে এখানে, কত পরিচিত মুখ রয়ে গেছে এখানে। তবুও ভালোবাসার বন্ধন যেন শেষ না হয়।
যে কবিতাটা দিয়ে ব্লগিং শুরু করেছিলাম...
...বাকিটুকু পড়ুন
পাকিস্তান সৃষ্টির বছরখানেক আগে ১৯৪৬ সালে বোম্বে শহরের দুই নামকরা পার্সি ডাক্তার বুঝতে পেরেছিলেন যে ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর আয়ু আর বেশিদিন নেই। ডা....
...বাকিটুকু পড়ুন

আজ একটা নতুন খবর ভাগ করে নেই সবার সাথে। অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম, নিজের গল্প দিয়ে যদি নাটক বা সিনেমা করা যেত। ভাবনা এক সময় সত্যি হয়ে গেলো।
দু...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
কলাবাগান১, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১১

লিখা টির ইতিহাস ভিত্তিক ইনফো এআই থেকে সংগৃহীত
আমরা সবাই জানি যে ১৯৭১ সনের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্হান হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পন করে মিত্রবাহিনীর কাছে। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না,...
...বাকিটুকু পড়ুন