সমুদ্রে শুয়ে আছি।
সুতীব্র স্তনের মতো তার ঢেউ
নরোম আবহ দিয়ে ঘুমিয়ে রেখেছে।
আমি তার কেউ নই, শুধু পিঠ পেতে গ্রহণ করেছি
তার দেহ। তার মন- গভীর। লবণ লবণ।
দূরে শাদা কাক, অস্থির সমুদ্রসারস
আমার চোখের দিকে বাড়িয়ে রেখেছে ঠোঁট।
চিৎ হয়ে ভেসে আছি
সমুদ্রের বুকের ওপর। তার দেহ,
সহস্র চক্র ও বাঁক। অনেক নদীর মতো,
তবু একটি একাকী নীল অস্তিত্ব হয়ে
আমাকে ভাসিয়ে রেখেছে।
শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে জল,
নোনা স্বাদ।
মৃতদেহটিকে ঘিরে লবণের তুমুল মৌতাত।
শাদা কাক, সাগরের সারসের মন
একটু আকাশ শুধু জলসৌধের মতোন
ঘিরে আছে।
এই প্রেম, সমুদ্র সমাধির ভেতর চিৎ হয়ে
শুয়ে থাকা। পৃথিবীর নীল বাথটাবে
বিছানার মতো ঘুম।
মৃতু্যর মতো মগ্ন,
প্রেমের এ মৃতু্যময় ধুম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




