ভ্রমণে ভ্রম বাড়ে- এই বিশ্বাস থেকে আমি সাধারণত ভ্রমণ করি না। কাজে যাই, কাজ না পড়লে যাওয়া হয় না। কাজে গেলে রথ দেখা কলা বেচা দুটাই এক সাথে হয়। এইবার একটু ব্যাতিক্রম হইল। স্রেফ ভ্রমণেই রাঙামাটি গেলাম। হঠাত ভাবলাম যাই। তো যাওয়া হলো। চলে গেলাম।
রাঙামাটি এর আগেও একবার গেছিলাম। প্রবাসী বন্ধু লেখকের সনে। মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল, নিজেদের মধ্যে জানাশোনা বাড়ানো। ঘটনাও তাই ঘটেছিল। ঘোরাঘুরি কম কম। কথা বেশি হয়েছিল।
এইবার ঘুরতে গেলাম। রাঙামাটির ক্লিশে ঝোলানো ব্রিজের নিচ থেকে একটা নৌকা ভাড়া করে শুভলং গেলাম। কাপ্তাই লেক হয়ে। কাপ্তাই লেকে আপন মনে বলে উঠলাম আহা কী সুন্দর! সুনীলের কবিতাটা মনে পড়লো। ইন্দারা গান্ধী বাংলার বন্যা দেখতে এসে মনের ভুলে আহা কী সুন্দর বলে ফেললেন যেভাবে।
এই কাপ্তাই লেক হলো মানুষের তৈরি জলাভূমি। কাপ্তাই জলিবদ্যুত কেন্দ্র তৈরি করেত গিয়ে এটি তৈরি হয়েছিল বাইপ্রোডাক্ট হিসাবে। পার্বত্য জেলার কয়েকটি গ্রাম জলস্মাত হয়ে গিয়েছিল চাকমা রাজার বাড়ি সমেত।
এখনো কিছু গাছ দেখা যায় নিকট ইতিহাসের স্মৃতি ধারণ করে নিজেদের কঙ্কাল বাড়িয়ে রেখেছে। কথাগুলো মনে হতেই শরীরে শিহরণ জাগলো।
(বেশি লেখা যাচ্ছে না। টাইপ করতে উল্টা পাল্টা লাগতেছে। পরে আবার লিখবো। এসএম মাহবুব মুর্শেদের কনভার্টরটা ব্যবহার করা যাবে কবে?)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


