১ম যুবক: ধর্ম মানুষের উপর অনেক কিছুই চাপিয়ে দেয়, মানুষের স্বাধীনতা লংঘিত হয়।
২য় যুবক: সামাজিক, পারিবারিক জীবনেও মানুষকে অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়, তাতেও কি মানুষের স্বাধীনতা লংঘিত হয়?
১ম যুবক: ধর্মের চাপিয়ে দেয়া বিষয়গুলো বেশি কষ্টদায়ক, মুক্ত বিহংগের মত বাচতে চাওয়াটা কোন অন্যায় নয়। হাটুর নীচে কাপড় পড়তে হবে, নাচ গান করা যাবে না, অতিরিক্ত আমোদ ফুর্তি করা যাবে না, মদ খাওয়া যাবে না, মেয়েদের চাইতে দশ হাত দুরে থাকতে হবে, আরো কত কি! আমার সময় বেধে নামাজও পড়তে হয়।
২য় যুবক: কালকে অফিসটা হাফ প্যান্ট পড়ে করলেই হয়, অফিসে লাউড স্পীকারে হিন্দি চটুল গানের ব্যবস্থা করবেন, সাথে মদের ব্যবস্থা থাকলে ত কথাই নেই। কাজের ফাকে ফাকে মেয়েদের সাথে ইয়ার্কি ঠাট্টা মারতে ভুলবেন না। অফিসে যাবেন খেয়াল খুশিমতে ১০ কিংবা ১১টা যে কোন সময়ে, বসকে বলবেন অফিসে কাজটা ঠিকমত করলেই ত হল, ৯টায় সময় বেধে দিলে চলবে না। তারপর মাস শেষে বেতনটা হাসতে হাসতে নিয়ে আসবেন।
আপনি জীবিকা অর্জনের জন্য যে চাকুরিটা করছেন, তারা কয়টি টাকার বিনিময়ে আপনার জীবনের অনেকগুলো ঘন্টা কিনে নিয়ে অনেক কিছুই চাপিয়ে দেয়। আর মহান আল্লাহর আলো বাতাস গ্রহন ছাড়াও আরো হাজারটা নেয়ামত ভোগ করে কিছুটা কষ্ট স্বীকারে ক্ষতি কি?
দুই যুবকের মধ্যে কথা হচ্ছিল ছুটির দিনে। হঠাৎ করেই ১ম যুবকের মোবাইলটি বেজে উঠে। মোবাইলে কথা শেষ হতেই ১ম যুবক হন্তদন্ত হয়ে রওয়ানা দেয় অফিসে দিকে, বসের জরুরী তলবে। আর ২য় যুবকটি প্রস্তুতি নেয় নামাজ পড়ার।
একজন গেল মহান আল্লাহর গোলামী করতে, আরেকজন গেল মানুষের গোলামী করতে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



