একটি সূর্যালোকের প্রতীক্ষায়,
একটু সূর্যালোকের অপেক্ষায়,
কেটে গেলো অনেক বছর!
কাটিয়ে দিলাম অনেক সময়!
তুমি আসবে বলে; হে আলো
অন্ধকারে ফেললাম দুফোঁটা অশ্রু।
বুকে উঠল বিষম ঝড়
বয়ে চলল দিন আর রাত্রির প্রনয়।
তবুও তুমি এলে না,
আলোয় আলোকিত হলনা,
আমার অন্ধকার সাজানো বাগান।
হলোনা তো কোন পরিবর্তনের প্রলয়
এর তার জীবনে ভোর হয়,
বসন্ত বাসন্তী রং শাড়ী পড়ে,
গেয়ে উঠে বাংলার কোকিল।
শুধু আমি তোমায় খুঁজি,
হে আলো; সর্বময়।
প্রেয়সীর উষ্ণতায় মন ভোলে প্রিয়তমের,
ফুল ফুটে বনে বনে,
প্রজাপতির গায়ে হলুদ আলোর নৃত্য।
একটু আশে আজ বড় বেশি তৃষ্ণার্ত
হে প্রেমময়!
কোথা আছ লুকিয়ে; হে কৃপণ।
কবে তবে আসবে আর?
বৃথা বয়ে যায় জীবন সাগর।
শেষ বেলায় খুব বেশি মনে হয়; নেই সময়।
জানি আসবে বলে কথা দাওনি,
তবুও তো এসেছিলে ক্ষনে ক্ষনে,
স্তম্ভিত আমি চিনতে পারিনি
শুধু চেয়ে থেকেছি; বুঝতে পারিনি,
তুমি সেই আলো
শত জনম পথ চেয়ে বসে থেকেছি,
যার প্রতীক্ষায়।
আলোহীন জীবনে আজ আর যে
কাটেনা প্রহর।
নিষ্ঠুর নিরবতা হাসে বিদ্রুপের হাসি
এবার তো এসো তুমি; হওনা সদয়।
মৃত্যু এসে দাড়িয়েছে দুয়ারে
জীবন প্রদীপ নিভু নিভু
তুমি বিনা বাঁচার আশ আর নেইকো,
হয়েছি যে বড় অসহায়।
ওপারের তরীতে উঠে গেছি আজ আমি
তীরে এসে দাড়ালে কি তুমি?
ঝাপসা চোখে বুঝতে কেন পারিনা হায়!
তবে কি শেষ হলো; অপেক্ষার পালা
তোমারি প্রতীক্ষায়?
বড় বেশি দেরীতে কি এলে তুমি,
কি আশা বাঁধিয়ে দিলে বুকের ভিতর?
সত্যিই কি এসেছিলে শেষ বেলায়!
যেখানে রচিত হয়েছিল সভ্যতার কবর।
চোখের জলে মুছে দিলাম,
লিখলাম সোনালী আখড়ে নতুন ইতিহাস।
আমার জীয়নকাঠি আলোটারে,
বিলিয়ে দিলাম অকাতরে
হয়ত এটাই ছিল ভাগ্যের পরিহাস।
মৃত্যুর আগেও ছিল, পরেও রয়ে গেল
একি নিদারুন বিশ্বাস!!
মাহমুদা আক্তার সুমা
রচনাকাল-৩-৫-২০১৪ই
(সপ্তম বাংলা ব্লগ দিবস উপলক্ষে প্রতিযোগিতায় প্রেরিত)
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




