শিরোনাম পড়েই বুঝে গেছেন, ছেলেটা একটা বেয়াদব, নইলে পাবলিক প্লেসে এরকম গোপনীয় কথা কেও বলে, ছিঃ !!!!
আমি তো মনে হয় তাহলে, মানবতাবিরোধী অপরাধ করে ফেললাম !!!!!
কথাটা আমার না, প্রথম আলোর একটা বিশেষ সংখ্যা ‘নারীমঞ্চ’ তে বেশ খানিকটা অংশ জুড়ে লিখাটা থাকে । আমি শুধুমাত্র কয়েকটা শব্দ পরিবর্তন করেছি । ওখানে স্কুলের বাচ্চাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, আর আমি বলেছি, কলেজ বা ভার্সিটির বাচ্চাদের উদ্দেশ্যে । প্রথম আলো দাবি করে, তাদের পাঠক সংখ্যা ৫৫ লক্ষ । আমার উপরের লাইনটা তাহলে প্রথম আলোর কমপক্ষে ৫৫ লাখ মানুষের কাছে পৌছায় । কই, ওই বিশেষ সংখ্যা পড়ে, কেউ তো কোনো নেগেটিভ মন্তব্য করে না, তাহলে আপনি আমাকে বেয়াদব ভাবলেন কেনো ? আমার এই লেখাটি সর্বোচ্চ ৩৩২ জন পড়বেন (কারণ আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড সংখ্যা ৩৩২ ), কেউ যদি দয়াবশত শেয়ার করেন, তাহলে আরো কয়েকজন বাড়তে পারে, তবে সেটা ১লক্ষ হবে না, এটা নিশ্চিত । আপনিও সেই ৩৩২ জনের একজন হয়ে, আমার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করার আগে, একবার ভাবুন প্লিজ !!
৮০ ভাগ মুসলিমের দেশে এই লাইন টা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত ? সুতরাং ধর্মের দিক থেকে দেখলে এটা ধার্মিকদের কাছে, পর্ণ ম্যাগাজিনের পর্যায়ে পড়তে বাধ্য (আমার ধারণা ভুলও হতে পারে, তবে সম্ভাবনা কম)।
দেশের ৮০ ভাগ লোক গ্রামে বাস করে । গ্রাম্য নারীরা তাদের পিরিয়ডের সময় যে কাপড় ব্যাবহার করে, সেটা তারা রোদে শুকাতে লজ্জা বোধ করে । আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে, এতে তারা বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয় । সেই দিক থেকে দেখলে, ‘স্যানোরা’ জাতিকে এই রোগগুলোর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য, সচেতনতা সৃষ্টি করছে, তারা সমাজ সংস্কারের দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নিয়েছে । এটা নিঃসন্দেহে জাতির জন্য ভালো । এদিক থেকে দেখলে, এই বিজ্ঞাপনটাকে ইতিবাচকই বলা যায় ।
লিখাটি পড়ে, আমাকে বেয়াদব বলে গালি দিয়ে নিজের পরিচয় প্রদান করবেন, নাকি আপনি ধর্মভীরুদের দলে থাকবেন, নাকি নারীদেরকে সচেতন করে তোলার জন্য স্যানোরাকে ধন্যবাদ দিবেন, সেটা আপনার মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার ।

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




