
........................................................................................................
পাকিস্তানের সঙ্গে সকল ধরণের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ এবং জনগণের জন্য মঙ্গলজনক। কারণ-
> বিশ্বজুড়ে ইসলাম ধর্মের যে বদনাম এবং ইসলামধর্মকে কলংকিত করার জন্য পাকিস্তান সবচে বেশি দায়ী।
> পাকিস্তান থেকে ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ, ধর্মীয় অস্থিরতা তৈরি এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়।
> তাদের গোয়েন্দাসংস্থা, রাষ্ট্র এবং বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ, ধর্মীয় বিভ্রান্তি ও উন্মাদনা তৈরিতে যুক্ত।
> পাকিস্তান থেকে আমাদের দেশে কেউ না এলে এবং আমাদের দেশ থেকে সন্ত্রাসী বা তাদের সহযোগীরা সেখানে না গেলে সন্ত্রাসীদের যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী ঘটনা কমতে বাধ্য।
> প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দেশটি সন্ত্রাসবাদে সহায়তা, অর্থ-অস্ত্র-প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
> পাকিস্তান থেকেই ইসলামী ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার শুরু হয় এবং দেশটি নিজেই প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসবাদের দ্বারা আক্রান্ত
> এছাড়া ১৯৭১-এ স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের কাছে পরাজয় এবং সামাজিক-অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন পাকিস্তান কোনভাবে মেনে নিতে পারছে না বরং সবসময় বাংলাদেশরে ক্ষতি করতেই সে প্রণোদিত।
> সর্বোপরী পাকিস্তান বাংলাদেশে ১৯৭১-এ গণহত্যা, ধর্ষণ এবং ধ্বংসযজ্ঞের জন্য আজও ক্ষমা প্রার্থ করেনি।
একথা সত্যি যে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ হয়তো এর সাথে সম্পৃক্ত নয়। তাদের প্রতি আমাদের কোন ক্ষোভও নেই। কিন্তু তাদের গোয়েন্দাসংস্থা, রাষ্ট্র এবং বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ, ধর্মীয় বিভ্রান্তি ও উন্মাদনা তৈরিতে যুক্ত। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় সন্ত্রাসীদের আশ্রয়দাতা হিসেবেও দেশটির বদনাম রয়েছে। বর্তমান সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে অর্থনৈতিক, সংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক উন্নয়নের কোন সম্ভাবনা বাংলাদেশের নেই। যেহেতু আমাদের সার্ভিলেন্স এবং প্রতিরক্ষা তথা গোয়েন্দা সংস্থা ভারত, আমেরিকা কিংবা চিনের মতো শক্তিাশালী নয় ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে আমাদের ঝুঁকিই বাড়বে।
আমাদের কিছু শ্রমিক সেখানে কাজ করছে একথা সত্য কিন্তু তাদের অনেক লোকের কর্মসংস্থান বাংলাদেশে রয়েছে। এছাড়া আমাদের টেক্সটাইল সেক্টরে তারা প্রচুর ব্যাবসা করে মেসিনারিজ এবং কাঁচামাল সরবরাহ করে। সুতরাং এক্ষেত্রে আমাদের ক্ষতির পরিমাণ তুচ্ছ। বড় ক্ষতি হলেও দেশের এবং মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থেই সেটি করা প্রয়োজন।
আর সন্ত্রাসবাদের উত্থান, রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-ধর্মীয় অস্থিরতার দোহাই দিয়ে কিংবা আইএস রয়েছে এই দোহাই দিয়ে আমাদের উদ্ধারের নামে কোন তৃতীয় পক্ষের খবরদারীর ঝুঁকিও নেয়ার প্রয়োজন আমাদের নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




